সংবাদদাতা, ডোমকল: স্বল্প সময়ে মিলছে অধিক মুনাফা। তাতেই ‘সোনালি তন্তু’ পাট ছেড়ে গোখাদ্য ঘাস চাষে ঝুঁকেছেন সীমান্তের বহু কৃষক। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতার ঘেঁষা রানিনগরের চরের মাঠগুলিতে একসময় পাট চাষের ব্যাপক রমরমা দেখা যেত। তবে বছর কয়েকের ব্যবধানে সেই আগ্রহ অনেকটা কমে এসেছে। বদলে সীমান্তের মাঠগুলিতে জায়গা করে নিচ্ছে গোখাদ্য ঘাস। চাষিদের দাবি , গত কয়েক বছরে ব্যাপক হারে বেড়েছে পাটের বীজের দাম। সঙ্গে রয়েছে কীটনাশকের অস্বাভাবিক হারে মূল্যবৃদ্ধি, সেইসঙ্গে পরিচর্যার বিপুল খরচ কাটিয়ে পাট থেকে লাভের অঙ্ক বের করা মুশকিল হয়ে পড়েছে কৃষকদের। অপরদিকে, রোপণ থেকে শুরু করে পাট শুকিয়ে তা বাজারজাত করার জন্য যতটা সময় লাগে, সেই সময়ে ওই একই জমিতেই দু’বার ঘাসের চাষ করা যায়। আর তাতেই, স্বল্প সময়ে অধিক লাভের কারণে গবাদি পশুর ঘাস চাষে এগিয়ে আসছেন কৃষকরা। একদিকে গবাদি পশুর চারণ ভূমির অভাব, অপরদিকে স্বল্প খরচে স্বল্প সময়ে অধিক লাভ, তার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে ক্রমবর্ধমান গবাদি পশুর খাবার ঘাসের চাহিদা, মূলত এই কারণগুলিকে কেন্দ্র করেই ঘাস চাষে আগ্রহ বাড়চ্ছে কৃষকদের।



