সংবাদদাতা, তেহট্ট: স্বামী স্ত্রী দুজনেই তেহট্ট আদালতে এসেছিলেন ডিভোর্সের মামলা করতে। মামলা করার আগেই আদালত প্রাঙ্গণে স্ত্রীর গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে স্বামী। এই দেখে আদালত প্রাঙ্গনে থাকা মানুষজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। সেই সময় লক্লার্ক ও আইনজীবীরা কোনওরকমে স্বামীর হাত থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে মহিলাকে উদ্ধার করেন। সেই ধারালো অস্ত্র আদালতে জমা দেন তাঁরা। সঙ্গে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া অভিযুক্ত স্বামী কিশোর বিশ্বাসকে। আইনজীবী ও ল ক্লার্ক সুত্রে জানা গিয়েছে, ছয় বছর আগে কিশোরের সঙ্গে প্রেম করে বেতাই এর এক মহিলার বিয়ে হয়। বছর তিনেক আগে ওই মহিলা বধূ নির্যাতনের মামলা করেন স্বামীর বিরুদ্ধে। এরমধ্যে এদিন দুই পক্ষের উকিল এর কাছে দুজন আসেন ডিভোর্সের মামলা করার জন্য সই করতে। সই করতে দেরি আছে বলে ওই মহিলা আদালত প্রাঙ্গণে একটি গাছের নীচে বসেছিলেন। অভিযোগ সেই আচমকা অভিযুক্ত স্বামী মহিলার চুলের মুঠি ধরে গলায় একটি ধারালো অস্ত্র ধরেন। এই দেখে সকলে হকচকিয়ে যায়। সেই সময় ল ক্লার্ক ও আইনজীবীরা সাহস করে তাঁর কাছে গিয়ে অস্ত্র কেড়ে নেওয়ায় বড় ঘটনা ঘটেনি। ল’ক্লার্ক সুজিত তেওয়ারি বলেন, আমি এজলাস থেকে বাইরে এসে দেখি একজন এক মহিলার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে আছে। কোনওকিছু না ভেবে আস্তে আস্তে তাঁর দিকে এগিয়ে যাই। তাঁর কাছে পৌঁছে কথা বলতে বলতে তাঁর হাত ধরে অস্ত্রটা কেড়ে নিই। আমি এগিয়ে যাওয়াতে সকলেই এগিয়ে আসে। তারপর সেটা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। পরে তাঁকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়।



