Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

জীবনবিমার ক্রয় হার প্রয়োজনের থেকে কম, সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা

এদেশে জীবনবিমার ব্যবসা বাড়ছে ঠিকই। কিন্তু যে হারে সেই বৃদ্ধি প্রয়োজন, তা হচ্ছে না। এমনটাই দাবি করল জীবন বিমা সংস্থাগুলির সংগঠন লাইফ ইনসিওরেন্স কাউন্সিল।

জীবনবিমার ক্রয় হার প্রয়োজনের  থেকে কম, সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা
  • ৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এদেশে জীবনবিমার ব্যবসা বাড়ছে ঠিকই। কিন্তু যে হারে সেই বৃদ্ধি প্রয়োজন, তা হচ্ছে না। এমনটাই দাবি করল জীবন বিমা সংস্থাগুলির সংগঠন লাইফ ইনসিওরেন্স কাউন্সিল। বুধবার বিমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইআরডিএআইয়ের সদস্য (জীবনবিমা) স্বামীনাথন আইয়ার দাবি করেন, জীবনবিমা কেনার নিরিখে বিশ্বের সেরা দশটি দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হওয়ার জায়গা নেই। তার কারণ, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে মাত্র ৩৬ কোটি মানুষ জীবনবিমার আওতায় আছেন। ওই সদস্যের কথায়, যে ব্যক্তিরা বড় শহরে পরিযায়ী হিসেবে আসছেন বা শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের আর্থিক ভিত্তি অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। সেই কারণেই আরও বেশি করে তাঁদের জীবনবিমার আওতায় আনা জরুরি। এই কাউন্সিলেরই একটি সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, সাধারণ মানুষের বেশিরভাগই জীবনবিমা সম্পের্ক অবগত, বা তাঁদের অনেকেই বিমা কিনেছেন। কিন্তু বাস্তবে যতটুকু বিমার প্রয়োজন, তা নেই। হিসেব বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেশে জীবনবিমার প্রিমিয়াম বাবদ মোট আদায় হয়েছিল প্রায় ৭ লক্ষ ৮২ হাজার কোটি টাকা। তার পরের অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়ায় ৮ লক্ষ ২৯ হাজার কোটি টাকা। গত পাঁচবছর ধরে জীবনবিমা ব্যবসা প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধির মুখ দেখছে বলে দাবি করেছে কাউন্সিল। তবে দেশের জিডিপিতে জীবনবিমার অংশীদারিত্ব কমছে বলে জানিয়েছে তারা। 

Advertisement

কাউন্সিলের হিসেব বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে জিডিপির ৪ শতাংশ ছিল বিমার প্রিমিয়াম। ২০২৩-২৪ সালে তা নেমে দাঁড়ায় ৩.৭ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা আরও কমে পৌঁছায় ৩.২ শতাংশে। এই খরা কাটাতে কাউন্সিলের তরফে আগামী তিনবছর লাগাতার প্রচার চালানো হবে বলে ঘোষণা করেছেন কর্তারা। সাধারণ মানুষ যাতে বেশি করে জীবনবিমা কেনেন, তার জন্য সচেতনতা বাড়াতে তিনবছরে জন্য অর্থ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা। বছরে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা খরচের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নামছে তারা।

সম্পর্কিত সংবাদ