সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: ফের নাগরাকাটা ব্লকের কাঁঠালধুরা চা বাগানে বনদপ্তরের পেতে রাখা খাঁচায় একটি চিতাবাঘ ধরা পড়ল। ঘটনাস্থলের কাছেই ঘাসমারি স্টেট প্ল্যান প্রাইমারি স্কুল থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার এই চা বাগানের ১৬নং সেকশনে আরেকটি চিতাবাঘ খাঁচাবন্দি হয়। এরপর সেদিনই চা বাগানের ৬নং সেকশনে ছাগলের টোপ দিয়ে খাঁচা পাতা হয়। শনিবার সকালে দেখা যায় একটি চিতাবাঘ খাঁচাবন্দি হয়েছে। এদিন সকালে চা বাগানের চৌকিদার বাগানে টহলদারির সময় খাঁচাবন্দি চিতাবাঘের ডাক শুনে বাগানের ম্যানেজার প্রদীপ বিশ্বাসকে খবর দেন। ম্যানেজার বনদপ্তরকে খবর দেন।
খবর পেয়ে প্রথমেই চলে আসেন ডায়না রেঞ্জের বনকর্মীরা। কিন্তু বনকর্মীরা সেখানে পৌঁছনোর আগেই এলাকার কিছু অত্যুৎসাহী চিতাবাঘটিকে বিরক্ত করছিলেন। কেউ কেউ সেটির একেবারে কাছে গিয়ে ছবিও তুলছিলেন। এভাবে বিরক্ত করার ফলে চিতাবাঘটি রাগে লম্ফঝম্প শুরু করে। এর ফলে খাঁচার সদর দরজাটি বেঁকে যায়। তা দেখে বনকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে সরিয়ে দিয়ে দরজাটি কোনওরকমে তার দিয়ে বেঁধে খাঁচাটিকে ঢেকে দেন। এরপরই খুনিয়া রেঞ্জের বনকর্মীরা ও নাগরাকাটা থানার পুলিস কর্মীরা চলে ঘটনাস্থলে আসেন। বনকর্মীরা চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।
চা বাগানের ম্যানেজার প্রদীপ বিশ্বাস বলেন, মোট তিনটি চিতাবাঘ ছিল। দু’টি ধরা পড়ল। আরেকটি চিতাবাঘ আছে। আমরা ফের খাঁচা পেতে রাখার কথা বলেছি। ঘাসমারি স্টেট প্ল্যান প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভজিৎ দত্ত বলেন, চা বাগানের ৬নং সেকশন থেকে চিতাবাঘ ধরা পড়েছে। এই সেকশনের পাশেই আমাদের স্কুল। পড়ুয়াদের আমরা চা বাগানে ঢুকতে নিষেধ করেছি। আমরা চাই বনদপ্তরও এনিয়ে পদক্ষেপ করুক। নিজস্ব চিত্র।