নয়াদিল্লি: ইজরায়েল-আমেরিকার হামলার পরেও বেঁচেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার এই দাবি করলেন ভারতে খামেনেই নিযুক্ত প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম এলাহি। শনিবারই সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে খামেনেইয়ের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এমনকি তাঁরে দেহের ছবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানেয়াহুকে দেখানো হয়েছে বলেও দাবি করেছিল কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম। এ প্রসঙ্গে এলাহি এদিন বলেন, ‘হামলায় ঘটনাস্থলেই সর্বোচ্চ নেতার মেয়ে ও জামাইয়ের মৃত্যু হয়। তবে খামেনেই তখনই শহিদ হননি। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।’ তাঁর মতে, মৃত্যুর পরেও অমর হয়ে থাকবেন খামেনেই। বেঁচে থাকবে তাঁর আদর্শ। এলাহির কথায়, ‘নিপীড়িত মানুষের হয়ে যাঁরা কথা বলবেন, তাঁদের হৃদয়ে থেকে যাবেন খামেনেই। তাঁরা খামেনেইয়ের দেখানো পথেই হাঁটবেন। তিনি মুসলিম এবং অমুসলিমদের মধ্যে মিলন চাইতেন।’



