Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

নীতীশকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি তোলায় ত্যাগীকে ছাঁটল জেডিইউ, বিজেপির অস্বস্তি কাটাতেই পদক্ষেপ?

ভারতরত্ন রাজনীতি শুরু হয়েছে বিহারে। দলের সুপ্রিমোকে ভারতরত্ন দেওয়া হোক এই দাবিতে কোনও নেতা সরব হলে, তাঁর প্রতি দল সমর্থনই জানায়। বিহারে বিপরীত চিত্র।

নীতীশকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি তোলায় ত্যাগীকে ছাঁটল জেডিইউ, বিজেপির অস্বস্তি কাটাতেই পদক্ষেপ?
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভারতরত্ন রাজনীতি শুরু হয়েছে বিহারে। দলের সুপ্রিমোকে ভারতরত্ন দেওয়া হোক এই দাবিতে কোনও নেতা সরব হলে, তাঁর প্রতি দল সমর্থনই জানায়। বিহারে বিপরীত চিত্র। নীতীশ কুমারকে ভারতরত্ন দেওয়া হোক এই দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লেখেন সংযুক্ত জনতা দলের প্রবীণ নেতা। কিন্তু খোদ নীতীশ কুমারের দল এই দাবিকে সমর্থন করল না। এমনকী ওই দাবি তোলার জন্য ত্যাগীর সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকারও করল দল। নীতীশ কুমারের দলের সভাপতি রাজীব রঞ্জন প্রসাদ তড়িঘড়ি জানিয়ে দিলেন, এরকম কোনও দাবি দলের পক্ষ থেকে করা হয়নি। দলের অবস্থানও নয়। এটা ত্যাগীর ব্যক্তিগত অভিমত। আর তিনি আমাদের দলের কোনও পদে আছেন কিনা, সেটা জানা নেই। অর্থাৎ কে সি ত্যাগীর সঙ্গে দলেরই সংস্রব নেই বলে জানিয়ে দিল তাঁর দল। অথচ কে সি ত্যাগী নীতীশ কুমারের উত্থানের সময় থেকেই দলের জাতীয় স্তরের মুখ। রাজ্যসভার সদস্য, দলের সভাপতিও হয়েছেন। কে সি ত্যাগীর এই দাবির জেরে যে বিজেপি যথেষ্ট অস্বস্তিতে ছিল, সেটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কারণ ত্যাগী মোদিকে চিঠি লিখেছেন সেটি জানাজানি হওয়ার পর, আর এক শরিক হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার প্রধান জিতন রাম মাঝিও দাবি করেন নীতীশ কুমারকে ভারতরত্ন দিতে হবে। কিন্তু তারপরই হঠাৎ দেখা যায়, নীতীশের দলই এই দাবির সঙ্গে সহমত নয়। সেটাই রাজনৈতিক রহস্য। কেন এই দাবিকে সমর্থন না করে বিরোধিতা করছে জেডিইউ? তাহলে কি বিজেপি ক্ষুব্ধ হয়ে কোনও অসন্তোষের বার্তা দিয়েছে? বিহারের ভাররতরত্ন ইস্যু এখানেই সমাপ্ত হচ্ছে না। শনিবার আবার লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র তেজপ্রতাপ যাদব দবি করেছেন, নীতীশকুমার এবং লালুপ্রসাদ যাদব, উভয়কেই ভারতরত্ন দেওয়া হোক। তাঁদের দুজনের যৌথ অবদান রয়েছে সমাজের প্রতি। রাষ্ট্রীয় জনতা দল কিংবা তেজস্বী যাদব কিন্তু এই দাবি করেননি। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ