Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জয় বঙ্গাল! নীতিনের ‘ধার করা’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই কি রাজনৈতিক ময়দানে খে‌ই হারালে বিজেপি! দুর্গাপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সভার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে সেই জল্পনা তুঙ্গে।

জয় বঙ্গাল! নীতিনের ‘ধার করা’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূলের
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই কি রাজনৈতিক ময়দানে খে‌ই হারালে বিজেপি! দুর্গাপুরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সভার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে সেই জল্পনা তুঙ্গে। বুধবার বাংলায় তাঁর প্রথম রাজনৈতিক ভাষণেই তৃণমূলের স্লোগান ধার নিতে দেখা গিয়েছিল নীতিন নবীনকে। তিনি বক্তবের শেষ লগ্নে ‘জয় বঙ্গাল’ বলে কর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে বিজেপিকে কটাক্ষ করছেন তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য জুড়ে দিচ্ছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে অভিষেক বলছেন, ‘বিজেপি নেতারা জয় মা দুর্গা বলা শুরু করেছেন। কথা দিয়ে যাচ্ছি, ২০২৬ সালে ওঁদের জয় বাংলা বলাব।’

Advertisement

সর্বভারতীয় সভাপতি বিজেপির বিড়ম্বনা বাড়িয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে গিয়ে নেতার মন্ত঩ব্যের অন্তর্নিহিত মানে খুজতে হচ্ছে। বর্ধমান দুর্গাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহসভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের সর্বভারতীয় সভাপতি কী বলেছেন। ‘জয় ভারত, জয় বঙ্গাল’। অর্থাৎ ভারতের জয় হোক, বাংলার জয় হোক। তৃণমূল সরকার চাকরি চুরি করে, কয়লা চুরি করে। তাঁরা তাই সবকিছুতেই চুরির গন্ধ পায়।

নীতিন নবীনের প্রথম বঙ্গ সফরে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। প্রথমে মণ্ডপ থেকে রামসীতার মূর্তি সরিয়ে দেওয়া। কবিগুরুর শান্তিনিকেতনকে ‘শান্তিনিকেতন সংস্থা’ বলা। শেষে রবীন্দ্রনাথ শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছেন বলে বিতর্ক বাড়িয়েছিলেন। সংস্কৃতির পাশাপাশি রাজনৈতিক ভাষণেও প্রতিপক্ষের স্লোগান ধার করায় অনেকেই মনে করছে, বিজেপি বাংলায় ভোটের উত্তাপে খেই হারিয়ে ফেলছে। তাই কখনও এসআইআর নিয়ে মানুষের হয়রানি নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছে, কখনও আবার তৃণমূলের স্লোগান ধার করে কর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে। পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, এ আর নতুন কী! মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক প্রকল্প দেশজুড়ে চালু করতে বাধ্য হয়েছে বিজেপি। এখন আমাদের স্লোগানও ধার করতে হচ্ছে। দলের দৈন্যদশার পরিচয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ