Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ইসরোর রোভার তৈরি প্রতিযোগিতা, পঞ্চম স্থান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে যুক্ত হল নয়া পালক। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ ২০২৪-এ পঞ্চম স্থান পেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকাট্রনিক্স ক্লাব।

ইসরোর রোভার তৈরি প্রতিযোগিতা, পঞ্চম স্থান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে যুক্ত হল নয়া পালক। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ ২০২৪-এ পঞ্চম স্থান পেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকাট্রনিক্স ক্লাব। এই ক্লাবের ১০ সদস্য টিম অবজ্যারাক্ট নামে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। চাঁদের আদলে তৈরি দুর্গম ভূখণ্ডে স্বয়ংক্রিয় রোভার সফলভাবে চালানো ছিল প্রতিযোগিতার বিষয়। দেশজুড়ে অংশ নিয়েছিল ১০০৭ টি দল। প্রথম বাছাইয়ের পর ২৭৩টি দল থেকে যায়। সেখান থেকে ১০ দলকে আনা হয় মূলপর্বে।

Advertisement

দলের সদস্য দীপাংশু চক্রবর্তী বলেন, ‘ওজন কম রেখে টেকসই রোভার তৈরির চেষ্টা করেছি। খরচ হয়েছে আনুমানিক ২.৭ লক্ষ টাকা, ওজন ৪২ কেজি।’ ছ’চাকার এই রোভারে রয়েছে রকার-বগি সাসপেনশন, পাঁচ-ডিগ্রি রোবোটিক বাহু যা ২০০ গ্রাম নমুনা তুলতে পারে। সাধারণ ভূপৃষ্ঠে এটি ন’ঘণ্টা ভার বহন করে চারঘণ্টা চলতে পারে।’ ওই দলের আর এক সদস্য প্রিয়ব্রত বসু বলেন, ‘রোভার কম জায়গায় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরতে পারে। ৩০ কিমি ব্যান্ডউইথের অ্যান্টেনা দিয়ে সহজে বেস স্টেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।’ ১৯৮৪ সালের প্রাক্তনীদের অর্থ সাহায্যে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরেছিল দলটি। প্রসঙ্গত ২৫ জুলাই বেঙ্গালুরুর ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টারে দলটির হাতে ট্রফি তুলে দেয় ইসরো। আর বুধবার বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করা হয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তরফে। অধ্যাপক দীপঙ্কর সান্যাল বলেন, ‘প্রাক্তনীরা পাশে থাকলে এভাবেই জাতীয় এবং বিশ্বমঞ্চে আরও ভালো ফল করবে ছাত্রছাত্রীরা।’

সম্পর্কিত সংবাদ