Bartaman Logo
২২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

বিধ্বস্ত ইরান, ইসফাহানে মিসাইল হানায় মৃত ১৫

ইজরায়ারেল সহ আমেরিকার বিভিন্ন ‘বন্ধু’ দেশে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তবে তেহরানের অবস্থা দিন দিন আরও শোচনীয় হয়ে উঠছে।

বিধ্বস্ত ইরান, ইসফাহানে  মিসাইল হানায় মৃত ১৫
  • ১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তেহরান: ইজরায়ারেল সহ আমেরিকার বিভিন্ন ‘বন্ধু’ দেশে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তবে তেহরানের অবস্থা দিন দিন আরও শোচনীয় হয়ে উঠছে। আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ইরানের একের পর এক বড়ো শহর। এবার ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানের একটি কারখানায় চলে মিসাইল হামলা। বিস্ফোরণের সময় বহু কর্মী ভিতরে কাজ করছিলেন। ফলে ঘটনাস্থলেই অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত একাধিক। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কারখানাটি মূলত হিটার ও রেফ্রিজারেশন সহ গরম-ঠান্ডা নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রপাতি তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে এর কাছেই রয়েছে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্র। তাই হামলার লক্ষ্যবস্তু নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া ইরানের একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রও মিসাইল হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মাঝে ইরানের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আলি শামখানির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তার আগে রাজধানী তেহরানে শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। ইরান সরকারের দাবি, আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলাতেই শামখানি নিহত হন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও 

Advertisement

প্রতিরক্ষা নীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেকেই তাঁকে ‘দেশের শহিদ’ বলে উল্লেখ করেন। বিদেশি শক্তির হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্লোগান দেন তাঁরা। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের সময় এ ধরনের বৃহৎ শোকসমাবেশ শুধু শেষ শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে। এতে দেশের অভ্যন্তরে ঐক্যের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি শত্রু শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীকী প্রদর্শন হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ