Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

২৫০ পণ্যে শুল্ক হ্রাস আমেরিকার রপ্তানি বৃদ্ধির আশায় বুক বাঁধছে ভারত

শুল্ক বৃদ্ধির জেরে জিনিপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে আমেরিকায়। দেখা দিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। এই অবস্থায় দেশবাসীকে সুরাহা দিতে ২৫০টি খাদ্যপণের উপর আমদানি শুল্ক কাটছাঁট করার কথা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

২৫০ পণ্যে শুল্ক হ্রাস আমেরিকার রপ্তানি বৃদ্ধির আশায় বুক বাঁধছে ভারত
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: শুল্ক বৃদ্ধির জেরে জিনিপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে আমেরিকায়। দেখা দিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। এই অবস্থায় দেশবাসীকে সুরাহা দিতে ২৫০টি খাদ্যপণের উপর আমদানি শুল্ক কাটছাঁট করার কথা ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এগুলির মধ্যে রয়েছে ২২৯টি কৃষিপণ্য। এই পণ্যগুলি রপ্তানি করে আমেরিকা থেকে ১০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করত ভারত। এপ্রিলে ভারতীয় পণ্যের উপর সর্বাধিক ৫০  শতাংশ শুল্ক চাপানোর পর সেই রপ্তানি বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়ে। শুল্ক কমানো নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এই ঘোষণার পরে আশার আলো দেখছেন ভারতীয় রপ্তানিকারকরা। 

Advertisement

১৩ নভেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া ট্রাম্পের শুল্ক ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছে ফল, বাদাম, মশলা এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য। ভারতীয় রপ্তানিকারকদের আশা, শুল্ক কমায় মার্কিন মুলুকে নতুন করে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে। গত বছর আমেরিকার সঙ্গে রপ্তানি বাণিজ্য ৫৪৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। তবে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর পরে গত সেপ্টেম্বরেই ১২ শতাংশ রপ্তানি কমে যায়। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফল, বাদাম, মশলা রপ্তানি। শুধু মশলা রপ্তানি থেকে ভারতের আয় ৩৫ কোটি ৮০ লক্ষ ডলার। আর চা ও কফি থেকে আয় ৮ কোটি ২০ লক্ষ ডলার। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের ডিরেক্টর জেনারেল অজয় সহায় বলেন, কাজু, মশলা ও চায়ের জন্য ভারতের উপর নির্ভরশীল আমেরিকা। এবার শুল্ক কমায় দু’দেশই লাভবান হবে। গোলমরিচ, জিরে, আদা-হলুদ সহ তরকারির মশলা, চা, কোকো বিন, লবঙ্গ, ক্যাপসিকামও রপ্তানি করে ভারত। 
এদিকে রাশিয়ার তেল রপ্তানির উপর দ্বিতীয় দফায় নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২২ অক্টোবর রাশিয়ার সবচেয়ে বড় দুই তেল উত্তোলক সংস্থা রসনেফট এবং লুকঅয়েলের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। যদিও ওই দুই সংস্থার থেকেই অক্টোবরে ২৫০ কোটি ইউরো মূল্যরে তেল কিনেছে ভারত। সেপ্টেম্বরেও রাশিয়ার থেকে ভারত একই অর্থমূল্যের তেল কিনেছিল। এমনটাই জানিয়েছে ইউরোপীয় সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ)। তবে নিষেধাজ্ঞা জারির পরে রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ, এইচপিসিএল-মিত্তল এনার্জি লিমিটেড, ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি এবং পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ