রোগী পরিষেবা নিয়ে ভুল রিপোর্ট দিলেই আটকে যাবে ইনসেনটিভ!
  • ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কমিউনিটি হেলথ অফিসার (সিএইচও), আশাকর্মী ও এএনএম নার্সরা কেমন কাজ করছেন, তা এবার সরেজমিনে দেখবে জেলার স্বাস্থ্যবিভাগ। তাঁরা যে রিপোর্ট অনলাইন পোর্টালে তুলবেন, তার সঙ্গে বাস্তবের মিল কতটা, তা যাচাই করবে দপ্তর। যদি কোথাও তথ্যে ভুল থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত সকলের ইনসেনটিভ আটকে যাবে। এই ভাতা প্রতি তিন মাস অন্তর পাওয়া যায়। যে ত্রৈমাসিকে গরমিল পাওয়া যাবে, তার পরের চক্রেই আটকে ইনসেনটিভ। সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, কোনও কোনও জায়গা থেকে গরমিলের অভিযোগ উঠছিল। এই প্রবণতা আটকাতেই কড়া পদক্ষেপ করা হল।

Advertisement

এক আধিকারিক বলেন, ধরা যাক, কোনও আশাকর্মী মাসে ৫০ জন গর্ভবতীকে বিভিন্ন পরিষেবা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি রিপোর্টে তার থেকে বেশি সংখ্যা দেখিয়েছেন। তথ্যের সেই গরমিলকেই ধরতে চাইছে স্বাস্থ্যবিভাগ। এতদিন এই কাজ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তেমন কড়াকড়ি ছিল না। ফলে অনিয়মের সুযোগ ছিল। সেসব বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ। সিএইচও, আশা কিংবা এএনএম কর্মীরা একটি নির্ধারিত সংখ্যক রোগীকে পরিষেবা দিলে তবেই এই বাড়তি ভাতা পান। কিন্তু অনেকেই ওই রিপোর্টকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখিয়ে বাড়তি টাকা নিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। এই খবর আসতেই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্যবিভাগ। এবার থেকে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে প্রতি মাসে পরিদর্শন করবেন আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হবে দৈনন্দিন রিপোর্টও। প্রতিটি ব্লকে স্বাস্থ্য কর্মীদের দেওয়া রিপোর্ট যাচাই করতে বলা হয়েছে ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিকদেরও।