সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার ন’নম্বর ওয়ার্ডে জলাশয় ভরাট। রবীন্দ্রনগর থানার সন্তোষপুর কারবালা অটো স্ট্যান্ডের উল্টোদিকে ভরাট চলছে বলে অভিযোগ। প্রায় দশ কাঠাজুড়ে থাকা জলাশয়টির অর্ধেক অংশ রাবিশ ফেলে ভরাট হয়েছে। কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি ইমারতি দ্রব্য ফেলে বহুতলের কলম তোলার কাজও শুরু হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া বেআইনি ভরাট ও নির্মাণের বিষয়টি পুরসভার নজরে এয়েছে। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তাপস হালদার লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন পুরসভার কাছে। তারপর পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধের নোটিশ দিয়েছে।
পুরকর্মীদের নজরে এসেছে, বহুতলের কলম এখনই হেলে গিয়েছে। বিপজ্জনক পরিস্থিতি। শ্রমিকদের জিজ্ঞসাবাদ চালিয়ে এই বেআইনি কাজে যুক্ত এক প্রভাশালীর নাম পেয়েছেন তদন্তকারী দলের সদস্যরা। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। ওই ‘মাতব্বর’এর নাম দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি ও তাঁর অনুচররা রবীন্দ্রনগর থানার একাংশের সঙ্গে গোপন যোগসাজসে বেআইনি নির্মাণ ও ভরাটের কাজ চালাচ্ছে। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য (স্বাস্থ্য) তাপস হালদার জানান, ওয়ার্ডের কাউন্সিলার হিসেবে অভিযোগ করেছি। রবীন্দ্রনগর থানার ভিতর একই কায়দায় একের পর এক জলাশয় ভরাট হয়ে চলেছে। পুরসভার নজরে আসার পর নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়। এর আগেও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বড় জলাশয় ভরাট হচ্ছিল। তবে সে সময় নোটিশ দিয়েও কাজ আটকানো যায়নি। এ বিষয়ে পুলিসের একটি অংশের আচরণ সন্দেহজনক ছিল। পুরসভার চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলারদের সামনে জলাশয়ের মালিককে ডেকে নথি চাওয়া হয়। জলাশয়ের নথি ছাড়া অন্য কিছু তিনি দেখাতে পারেনি। ফলে চেয়ারম্যান মাটি তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ন’নম্বর ওয়ার্ডের জলাশয়ের ক্ষেত্রে এমনটাই হবে। তবে এখনও রাতের অন্ধকারে রাবিশ ফেলার কাজ হচ্ছে। -নিজস্ব চিত্র