নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তরুণী লিখিতভাবে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন শুক্রবার রাতে। তারপর থেকে মামলা মজবুত করতে চেষ্টার কসুর করেনি পুলিস। অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তথ্য-প্রমাণ নেওয়া, ডিজিটাল এভিডেন্স সংগ্রহ করা সবটাই হয়েছে নিখুঁতভাবে। লক্ষ্য ছিল একটাই—আইআইএম ধর্ষণ মামলা যেন কোনওভাবে দুর্বল না হয়ে যায়। তবে বাধ সাধছেন কে? স্বয়ং তরুণী। এই ধরনের মামলায় দু’টি বিষয় অত্যন্ত জরুরি। ১) নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং তাঁর পোশাকের ফরেন্সিক। ২) নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি। নজর করার মতো বিষয় হল, তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা সোমবারও হয়নি। পোশাক ফরেন্সিকের জন্যও দিতে চরম ‘অনীহা’ দেখাচ্ছেন তরুণী। আর গোপন জবানবন্দি? বিচারকের সামনে তাঁর বক্তব্য মামলার বিচারপর্বে বড় হাতিয়ার হয় তদন্তকারী সংস্থার। আদালতে আর্জি জানানোর পর তা মঞ্জুর হয়। তারিখ ঠিক হয়ে গিয়েছিল সোমবার, অর্থাৎ ১৪ জুলাই। নিয়মমাফিক তা জানিয়ে দেওয়া হয় তরুণীকে। সেই সঙ্গে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, অভিযোগ প্রমাণ করতে তাঁর এই বক্তব্য কতটা জরুরি। এতকিছুর পরও কিন্তু সোমবার নির্যাতিতা থানায় হাজিরা দেননি। বেলা ১২টা বেজে গেলেও তিনি না আসায় সিটের অফিসারদের চিন্তা বাড়ে। বারবার যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। মোবাইল ‘নট রিচেবল’ পাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। এর মাঝে একবার ফোনে যোগাযোগ করা গেলে নির্যাতিতা জানান, তিনি ট্রমায় আছেন। তারপর আর যোগাযোগ করা যায়নি। বেলা ৩টে পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর তরুণী না আসায় সিটের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, তরুণী আসতে পারছেন না। তখন গোপন জবানবন্দির জন্য আজ, মঙ্গলবারের দিন নির্ধারণ করে আদালত।



