প্রশংসায় আপ্লুত
প্রশংসায় আপ্লুত
‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ ঘিরে দারুণ প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন সাদিয়া। উচ্ছ্বাসের সুরে বললেন, ‘প্রশংসা শুনে ভালো লাগছে। তবে অনেক সময় অবিশ্বাস্যও লাগছে। মনে হচ্ছে পরিশ্রমের ফল পেয়েছি।’ সাদিয়ার ছেলেবেলার ‘ক্রাশ’ জন আব্রাহাম। এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে আপ্লুত অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, ‘পর্দায় জনকে দেখলে কঠিন মনে হয়, কিন্তু খুবই নরম হৃদয়ের মানুষ উনি। অত্যন্ত শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সততার সঙ্গে কাজ করেন। একজন নবাগতের মতো ওঁর মধ্যে আজও প্যাশন, আগ্রহ, আর কঠিন পরিশ্রম করার মানসিকতা রয়েছে। নিজের শট না থাকলেও সেটে থেকে সবাইকে উৎসাহ দিতেন।’
সহজ ও কঠিন পথ
কলেজে পড়াকালীন সাদিয়ার প্রথম কাজ ‘শিকারা’। তা মুক্তি পাওয়ার পর ধীরে ধীরে ইন্ডাস্ট্রিকে চিনতে শুরু করেন তিনি। ‘মুম্বইতে এসে আমি সবকিছু পেয়েছি। এই জার্নির কিছুটা পথ সহজ, কিছুটা কঠিন ছিল। তবে সবকিছুর জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ’, বললেন সাদিয়া। জম্মু ছেড়ে মুম্বইতে থেকে কাজ করা তাঁর কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। সানন্দে তা গ্রহণ করেছেন বলে জানালেন অভিনেত্রী।
অপেক্ষার ফল
পাঁচ বছরের ফিল্মি কেরিয়ারে তিনটে ছবিতে অভিনয় করেছেন সাদিয়া। অফার কি কম এসেছে? সাদিয়ার উত্তর, ‘আমি ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় থাকি। শুধুমাত্র টাকার জন্য যেকোনও ছবিতে কাজ করিনি। অপেক্ষার ফল ভালোই হয়।’
ভাগ্যে বিশ্বাসী
কোনও পরিচিতি ছাড়াই বলিউডে কাজ করতে শুরু করেন সাদিয়া। ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন বলে দাবি করলেন। স্পষ্ট বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গডফাদারের প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। আমার সঙ্গে ঈশ্বর থাকলেই যথেষ্ট। এরপর বাবা-মা, পরিবার বা বন্ধুবান্ধব পাশে থাকলেই হয়ে যাবে।’
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই