


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মহার্ঘ এখন ফ্লাইটের সিট নম্বর ’১১-এ’। এই নম্বরের আসন পেতে, টিকিট বুকিংয়ের সময় বিমানযাত্রীদের তুমুল চাহিদা। ট্রাভেল এজেন্টদের কাছে ঘন ঘন আবেদন আসছে। ট্রাভেল এজেন্ট কর্তাদের কাছে শুধুই আব্দার, ১১-এ সিটটা দেখুন না প্লিজ। বস্তুত, আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ১১-এ সিটের যাত্রী ছিলেন বিশ্বাস কুমার রমেশ নামে বছর চল্লিশের এক ব্যক্তি। বিমান আরোহী বাকি ২৪১ জন ঝলসে মারা গেলেও, নিয়তির মুঠোয় আটকে ছিল বিশ্বাসের প্রাণ। মুঠো খুলিয়ে তা ছিনিয়ে এনেছেন তিনি। ১১-এ মানেই পয়া, এই বিশ্বাস নিয়েই আগামী দিনে যাঁরা বিমানে সওয়ার হতে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশের কাছ থেকেই আবেদন আসছে, উইংস লাগোয়া ওই সিটটাই চাই। ট্রাভেল এজেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার কর্তা অনিল পাঞ্জাবি বলেন, বিমান যাত্রীদের প্রচুর কৌতুহল ১১-এ সিট নিয়ে। যাত্রীদের কাছ থেকে ঘনঘন ফোন আসছে। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অপারেটার্সের চ্যাপ্টার চেয়ারম্যান দেবজিৎ দত্ত বলেন, আমেদাবাদে ভয়াবহ দুর্ঘটনা হৃদয় বিদারক। কিন্তু ভালো খবর একটাউ, ১১-এ আসনের যাত্রীর জীবিত থাকাটা। ফলে বিমান যাত্রায় এখন যে ১১-এ সিট নম্বরটা যে ‘মাইলস্টোন’ হতে চলেছে, তা যাত্রীদের কৌতুহল দেখেই বুঝতে পারছি। বিমানযাত্রীদের মধ্যে অনেকেই চাইছেন ১১এ সিটে বসেই আকাশপথে যাত্রা করতে। এমনকী অনলাইনে যাঁরা টিকিট কাটছেন, তাঁরাও প্রথমে ‘ব্লক’ করতে চাইছেন সেই ১১-এ।