Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬

কাট অফ মার্ক পাওয়া শিক্ষকরা যোগ্য কি না ঠিক করবে হাইকোর্টই, এসএসসি মামলায় জানাল সুপ্রিম কোর্ট

স্কুল সার্ভিস কমিশনের মামলায় কাট অফ মার্কস থাকা শিক্ষকরা যোগ্য নাকি অযোগ্য, তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

কাট অফ মার্ক পাওয়া শিক্ষকরা যোগ্য কি না ঠিক করবে হাইকোর্টই, এসএসসি মামলায় জানাল সুপ্রিম কোর্ট
  • ২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:০৮

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: স্কুল সার্ভিস কমিশনের মামলায় কাট অফ মার্কস থাকা শিক্ষকরা যোগ্য নাকি অযোগ্য, তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন নিয়োগের পরীক্ষা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। সেই পরীক্ষায় বসার তালিকায় নাম না থাকায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন সোনালি দাস নামে এক সহকারী শিক্ষক। এদিন বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি অরবিন্দ কুমারের বেঞ্চে ছিল শুনানি। 

Advertisement

সেখানেই আবেদনকারীর আইনজীবী শুভাশিস ভৌমিক বলেন, স্কুল সার্ভিস কমিশন যে কাট অফ মার্কসের যোগ্যতামান ঠিক করেছে, তা আমার মক্কেলের রয়েছে। তবুও তাঁকে অযোগ্য (টেন্টেড) তালিকায় ফেলা হয়েছে। কাট অফ মার্কস থাকা সত্ত্বেও ওএমআর শিট সংক্রান্ত হিসেবের ভুলে নতুন নিয়োগের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হচ্ছে না। ‘অযোগ্য’ তকমা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু হাইকোর্ট বলেছে, সুপ্রিম কোর্ট যা বলবে, তাই হবে। 
যা শুনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের পক্ষে আ‌দালতে উপস্থিত আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার জানতে চান, সত্যিই কি এরকম মামলা হাইকোর্টে রয়েছে? কল্যাণবাবু জানান, হ্যাঁ রয়েছে। শুনেই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল কলুষিত। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করার রায় শুনিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেখানে আমরা কখনই বলিনি যোগ্য-অযোগ্য শীর্ষ আদালত বেছে দেবে। এটা হাইকোর্ট ঠিক করবে। 
ফলে সুপ্রিম কোর্ট নয়। আবেদনকারীকে এই মামলার জন্য হাইকোর্টেই যেতে নির্দেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত। আবেদনকারীর আ‌ইনজীবী বললেন, পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার অনুমতি দিন। বিচারপতি জানিয়ে দিলেন, হাইকোর্টে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্যকে সামনে রেখে অন্তবর্তী সুরাহার আবেদন করুন। আশা করি হাইকোর্ট মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করবে। 
অন্যদিকে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) সংরক্ষণ তালিকা সংক্রান্ত মামলা থাকলেও তার বিস্তারিত শুনানি হল না। রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিবাল প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের বেঞ্চে শুনানিতে বলেন, ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত একটি মামলায় গত শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এবার মূল ওবিসি মামলাতেও একইভাবে স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। কিন্তু মামলার বিবাদী অমলচন্দ্র দাসের আইনজীবী আর্জি জানান, আমাদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সময় দিন। শীর্ষ আদালত তা মঞ্জুর করে। জানিয়ে দেয়, আগামী সোমবার ১ সেপ্টেম্বর শুনানি হবে। 

সম্পর্কিত সংবাদ