নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাইকোর্টে সাময়িক স্বস্তি পেলেন ভোটার তালিকায় অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া কাকদ্বীপ মহকুমার অ্যাসিস্ট্যান্ট সিস্টেম ম্যানেজার অরুণ গোরাই। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিস। তবে তাঁকে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে।
অবৈধভাবে ইআরও’র নির্দিষ্ট লগইন আইডি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম তোলা ও বাদ দেওয়ার অভিযোগে অরুণ গোরাইকে সাসপেন্ড করা হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়। এর পর পরই পাল্টা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অরুণ। তাঁর দাবি ছিল, রাজ্যজুড়ে ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার একটি চক্র চলছে। নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিক আদালত। সেই মামলয়ি ইতিমধ্যেই কমিশনকে হলফনামা আকারে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
কিন্তু মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে তিনি দাবি করেন, হাইকোর্টে মামলা করার পর তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করা হয়েছে। তাঁকে রক্ষাকবচ দিক আদালত। রাজ্যের তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, মামলাকারী তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। তাঁকে হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশে জানান, অভিযুক্ত হিসেবে মামলাকারীকে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাঁর ফোন এবং সিম হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানায় জমা দিতে হবে। ১২ সেপ্টম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। ১০ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানি।