বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: হার্ট অ্যাটাক হওয়ার বয়স কমছে—চিকিৎসকদের এই সাবধানবাণী যে স্রেফ ফাঁপা আওয়াজ নয়, মঙ্গলবার তার হাতেগরম প্রমাণ হয়ে রইল মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। মাত্র ২১ বছর বয়সি প্রথম বর্ষের এক ডাক্তারি পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচাতে গোটা মেডিকেল কলেজ তো বটেই, তারই সঙ্গে প্রশাসন ও সরকারও নিল অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা। পরীক্ষা কেন্দ্রেই ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর। ওই ছাত্রকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কোলে তুলে নিয়ে আইসিইউতে ছোটেন শিক্ষকরা। ৩০ মিনিটের মধ্যে তাঁকে জীবনদায়ী ইনজেকশন টেনেকটিপ্লেজ দিয়ে থ্রম্বোলাইসিস করে বিপদ কমানো হয় তাঁর। পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর বাড়ির লোকজন পিজিতে উচ্চতর চিকিৎসার আর্জি জানালে পাশে পাওয়া যায় জেলা এবং রাজ্য প্রশাসনকে। এরপরই বুধবার দুপুরে মেদিনীপুর মেডিকেলের আইসিইউ থেকে রওনা করিয়ে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় পিজির কার্ডিয়োলজির আইসিইউতে ভরতি করা হয় তাঁকে। প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়ার নাম মনোরঞ্জন মুদি। অ্যাম্বুলেন্সে তাঁর সঙ্গী ছিলেন তৃতীয় বর্ষের পিজিটি ডাঃ স্পন্দন চৌধুরী। ডাঃ চৌধুরী বলেন, এখনও পর্যন্ত সবকিছু সময়ে এবং দ্রুত হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ মৌসুমি নন্দী বলেন, ওঁকে পিজিতে ভরতি করা হয়েছে। সমস্ত স্তরের সহযোগিতা পেয়েছি।



