নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাত্র ২১ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হওয়া মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের সেই ছাত্রের অ্যাঞ্জিয়োপ্ল্যাস্টি হল। তাঁর চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছিল পিজি হাসপাতাল। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বৈঠকে বসেন। একাংশ অ্যাঞ্জিয়োপ্ল্যাস্টি না করার পক্ষে মতামত দেন। বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার সরোজ মণ্ডলকে বোর্ডে রাখা হয়েছিল। যদিও তিনি পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন, ওই ছাত্রের বাকি জীবন পড়ে আছে। কোনওরকম ঝুঁকি নেওয়ার মানেই হয় না। ইসিজি এবং ইকো কার্ডিওগ্রাফি রিপোর্টে একটি ধমনিতে গুরুতর ব্লকের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে অ্যাঞ্জিয়োপ্ল্যাস্টি করে নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। শেষমেশ বোর্ড ডক্টর মণ্ডলের মতের সঙ্গে সহমত হয়। মনোরঞ্জন মুদী নামে প্রথম বর্ষের ওই এমবিবিএস ছাত্রের হার্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধমনিতে ব্লক ধরা পড়ে। তার নাম হল লেফট ইন্টেরিয়ার ডিসেন্ডিং আর্টারি বা সংক্ষেপে এলএডি। ৭০ শতাংশের বেশি ব্লক ধরা পড়ে সেখানে। এরপর বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার গৌতম দত্ত সেখানে স্টেন্ট পরিয়ে রোগীকে বিপদ মুক্ত করেন। পিজি সূত্রের খবর, বর্তমানে মনোরঞ্জনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে আইসিইউতে ভর্তি রাখা হয়েছে।



