মুম্বই: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মঙ্গলবার ঘরের মাঠে গুজরাত টাইটান্সে কাছে বশ মেনেছে মুম্বই। হারের পর ব্যাটারদের কাঠগড়ায় তুললেন এমআই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর কথায়, ‘এটা মোটেই ১৫০ রানের উইকেট ছিল না। আমাদের অন্তত ১৭০-১৮০ রান তোলা উচিত ছিল। কিন্তু ২০-৩০ রান কম সত্ত্বেও আমাদের বোলাররা দারুণ লড়েছে।’ উল্লেখ্য, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কখনই স্বস্তিতে ছিল না মুম্বই। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে তারা। রায়ান রিকলটন, রোহিত শর্মা, তিলক ভার্মা, স্বয়ং হার্দিক, নমন ধীররা কেউ দুই অঙ্কের রানে পৌঁছননি। কোনও রকমে আট উইকেটে ১৫৫ তোলে তারা।
ডিএলএস নিয়ম অনুযায়ী মঙ্গলবার শেষ ওভারে ১৫ রানের প্রয়োজন ছিল গুজরাতের। তেওয়াটিয়া ও কোয়েৎজের ব্যাটে ভর করে চতুর্থ ডেলিভারিতেই স্কোর সমান করে গুজরাত। তবে দীপক চাহারের পঞ্চম বলে কোয়েৎজে আউট হলে সুপার ওভারের সম্ভাবনা জেগেছিল। কিন্তু অন্তিম ডেলিভারিতে রান আউটের সুযোগ নষ্ট করেন মুম্বই অধিনায়ক। তাছাড়া বল হাতেও সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি তিনি। অষ্টম ওভারে দু’টি নো বল পর্যন্ত করেন। নিজের পারফরম্যান্সের মূল্যায়নে হার্দিকের মন্তব্য, ‘টি-২০’তে নো বল করা অপরাধ। সেই বিষয়ে আমার সচেতন থাকা উচিত ছিল। শেষ ওভারেও নো বল হয়েছে। তবে ছেলেরা মাঠে ১২০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছে। এই ব্যর্থতা ভুলে পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর।’
গুজরাতের কাছে হারের পর পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে মুম্বই। ১২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১৪। এমন পরিস্থিতিতে প্লে-অফের পথ কঠিন হল বলে মনে করছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ। মাহেলা জয়বর্ধনের বক্তব্য, ‘প্লে-অফে যাওয়ার জন্য বাকি দু’টি ম্যাচেই জিততে হবে।’ তবে শেষ ওভারে পরিকল্পনামাফিক বল না করতে পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন দীপক চাহার। এই নিয়ে মাহেলাকে প্রশ্ন করা হলে, তাঁর জবাব, ‘আমি ক্যাপ্টেন হলে উইল জ্যাকস বা করণ শর্মাকে দিয়ে শেষ ওভার করাতাম। বিকল্প হিসেবে হার্দিকের কথাও ভাবা যেত। তবে এদিন ও বল হাতে ছন্দে ছিল না।’