Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

এইচ-১বি ভিসা পুনর্নবীকরণের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আচমকা বাতিল

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এইচ-১বি ভিসা পুনর্নবীকরণের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পিছিয়ে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। কয়েক মাস পর নতুন তারিখ দেওয়া হয়েছে ঠিকই। তবে সেগুলিও শেষ মুহূর্তে বাতিল হবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

এইচ-১বি ভিসা পুনর্নবীকরণের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আচমকা বাতিল
  • ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১২
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এইচ-১বি ভিসা পুনর্নবীকরণের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পিছিয়ে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। কয়েক মাস পর নতুন তারিখ দেওয়া হয়েছে ঠিকই। তবে সেগুলিও শেষ মুহূর্তে বাতিল হবে কি না তা স্পষ্ট নয়। এহেন পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন বহু ভারতীয়। আমেরিকায় কর্মক্ষেত্রে কীভাবে ফিরবেন, তা বুঝেই উঠতে পারছেন না। এই অবস্থায় বহুজাতিক সংস্থায় চাকরি থাকবে তো? দেখা দিয়েছে তুমুল অনিশ্চয়তা। 

Advertisement

এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তা পুনর্নবীকরণের জন্য বহু ভারতীয় কর্মী দেশে ফিরেছেন। অনেকেই ১৫ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে এসেছিলেন। কারণ সেসময় আমেরিকায় ছুটির মরশুম। আচমকা সেসব অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করে দেয় ট্রাম্পের দেশ। সূত্রের খবর, আগামী মার্চ মাসে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ দেওয়া হয়েছে। তাই ভারতে এসে আটকে পড়েছেন বহু দক্ষ কর্মী। এবিষয়ে ভিসাপ্রাপকদের ইমেল পাঠিয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তর। সেখানে লেখা হয়েছে, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত নিয়ম চালু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর সমাজমাধ্যমের কার্যকলাপ খতিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যাতে আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক না হয়ে উঠতে তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ। এর ফলে ওয়ার্ক পারমিটের সাক্ষাৎকার সহ যাবতীয় প্রক্রিয়ায় দেরি হচ্ছে।  
এইচ-১বি মূলত ‘নন ইমিগ্র্যান্ট’ ভিসা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা সর্বোচ্চ ছ’বছর আমেরিকায় থেকে কাজের সুযোগ পান। ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের এপ্রিল মাসের রিপোর্ট জানাচ্ছে, এইচ-১বি ভিসাধারীর মধ্যে ৭১ শতাংশ ভারতীয়। 
সম্প্রতি ভিসা সংক্রান্ত একাধিক কড়া নিয়ম চালু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এখন থেকে নতুন ভিসার জন্য এককালীন ১ লক্ষ মার্কিন ডলার দিতে হবে। ট্রাম্প ঘনিষ্ঠদের দাবি, ভিসার কারণে আমেরিকান নাগরিকরা নিজেদের দেশে বেকার হয়ে পড়ছেন। উলটে বাইরের লোকেদের চাকরি দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এহেন অবস্থানের নিন্দায় সরব একাধিক মার্কিন সংস্থা। তাদের দাবি, বিদেশি দক্ষ কর্মীরা না থাকলে আমেরিকার অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাতে অবশ্য কর্ণপাত করতে রাজি নয় হোয়াইট হাউস। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ