Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সরকারি উদ্যোগে বোলপুরে তৈরি হবে শপিং মল, খুশি ব্যবসায়ীরা

জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বোলপুরে ওই শপিংমল গড়ে তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সরকারি উদ্যোগে বোলপুরে তৈরি হবে শপিং মল, খুশি ব্যবসায়ীরা
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সরকারি উদ্যোগে বীরভূম জেলায় তৈরি হবে শপিংমল। জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বোলপুরে ওই শপিংমল গড়ে তোলার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে জমি চিহ্নিত করার কাজ শেষ হয়েছে। শপিংমল গড়ে তোলার জন্য এক একরের বেশি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। চলতি বছরেই শপিংমল তৈরির কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ। আগামী দিনে ওই শপিংমলই জেলার হস্তশিল্পের সম্ভারের অন্যতম ঠিকানা হতে চলেছে। মন্ত্রী বলেন, জমি চিহ্নিতকরণের কাজ চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী মে মাসেই এই কাজের জন্য টেন্ডার করা হবে। অতি দ্রুত কাজ শুরু করাই আমাদের লক্ষ্য। পিপিপি মডেল পুরো কাজ হবে। এই শপিং মলের হাত ধরে জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর শিল্পীরা সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছতে পারবেন।

Advertisement

রবিবার একাধিক দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে মন্ত্রী জমি পরিদর্শন করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এক একরের বেশি জমিতে সরকারি উদ্যোগে শপিংমল গড়ে উঠবে। সম্পূর্ণ কাজ পিপিপি মডেলে হবে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শপিংমলের দু’টি ফ্লোর অবশ্য সরকারের অধীনে থাকবে। বহুতল মলের বাকি অংশ নির্মাণ সংস্থার অধীনে থাকবে। এদিকে সরকারের হাতে থাকা দু’টি ফ্লোরের একাধিক স্টল অর্থাৎ দোকানঘর প্রয়োজন ও যোগ্যতা অনুসারে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে বিলি করা হবে। যদিও বণ্টন প্রক্রিয়া এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এই শপিংমল জেলায় তৈরি শিল্পকর্ম বিক্রিতে আগামী দিনে শিল্পীদের নয়া দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে। 
বোলপুরের ওই শপিংমলেও থিয়েটার থেকে শুরু করে জামাকাপড়, এমনকী খাবারের দোকান থাকবে। সেসবের নিয়ন্ত্রণ থাকবে নির্মাণ সংস্থার হাতে। তবে, অত্যাধুনিক পার্কিং ব্যবস্থা সহযোগে গড়ে ওঠা শপিংমলের দু’টি ফ্লোর আগামীতে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে। কেননা ওই শপিংমলে কাঁথাস্টিচের পোশাক থেকে শুরু করে ধানের অলঙ্কার সহ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের হাতে তৈরি নানা সামগ্রীর স্টল বসবে। ফলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা বছরভর নিজেদের হাতে তৈরি নানা সামগ্রী সরাসরি ক্রেতাদের হাতে তুলে দিতে পারবেন। এতে আর্থিকভাবে তাঁরা অনেকটাই লাভবান হবেন। সেইসঙ্গে জেলার হস্তশিল্পও অন্য মাত্রা পাবে।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ