সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: ফের মাথাভাঙা-শিলিগুড়ি রাজ্য সড়কে গাঁজা সহ ধরা পড়ল পাচারকারীরা। পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছিল একটি ছোটো গাড়ি।
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: ফের মাথাভাঙা-শিলিগুড়ি রাজ্য সড়কে গাঁজা সহ ধরা পড়ল পাচারকারীরা। পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছিল একটি ছোটো গাড়ি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যসড়কের ইচ্ছাগঞ্জ মোড়ের কাছে একটি সন্দেহজনক গাড়িকে দাঁড় করাতে বলেন পুলিস কর্মীরা। গাড়িটি বেশকিছুটা দূরে দাঁড় করানোর পর গাড়িতে থাকা চারজন পালিয়ে যায়। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাড়ি তল্লাশি করে প্রায় সাড়ে ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। নিশিগঞ্জ ও শীতলকুচি ব্লকের মাঘপালায় বিপুল গাঁজা উদ্ধারের পর এদিন ফের ধরা পড়ল গাঁজা। পুলিস এবং ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গাঁজা উদ্ধারে পুলিস তৎপর হতেই পাচারকারীরা কিছুদিন চুপচাপ ছিল। এদিন ফের গাঁজা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিস ও প্রশাসন।
মাথাভাঙা, শীতলকুচি ও কোচবিহার কোতোয়ালি থানার সীমানা এলাকা মাঘপালা, কোদালধোয়া, নিশিগঞ্জের একটি অংশে ব্যাপক পরিমাণ গাঁজার চাষ হয়। মানসাই নদীর চর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েও গাঁজা খেত কেটে শেষ করতে পারেনি পুলিস। আধিকারিকদের দাবি চরের দূরবর্তী জায়গায় বিছিন্নভাবে করা গাঁজা খেতের কিছু অংশ কাটা সম্ভব হয়নি। নিশিগঞ্জে বাড়িতে সেই গাঁজা মজুত করতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা আটক করা হয়। একই সঙ্গে শীতলকুচির মাঘপালায় একটি বাড়ি থেকেও প্রায় এগারো ক্যুইন্ট্যাল গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর পর থেকে গাঁজা পাচারকারীরা কিছুদিন নিষ্ক্রিয় ছিল। এদিনের ফের গাঁজা সহ ছোটো গাড়ি ধরা পড়ায় তৎপর হয়ে উঠেছে পুলিস ও প্রশাসন।
এব্যাপারে মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিস সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, আমরা সবসময়ে রাজ্যসড়কে নাকা চেকিংয়ে নজরদারি চালাই। নাকাচেকিং চলাকালীন ইচ্ছাগঞ্জ মোড়র কাছে একটি গাড়িকে থামতে বললে সেটি কিছুটা এগিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। গাড়িতে থাকা চারজন পালিয়ে যায়। গাড়িটি তল্লাশি করে ২২টি প্যাকেট উদ্ধার হয়। সেই প্যাকেটগুলোতে ২২কেজি ৪৯৬ গ্রাম গাঁজা ছিল। গাড়ির নম্বর দেখে মালিকের নামে এনডিপিএস ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গাঁজা উদ্ধারে ধারাবাহিক তৎপরতা রয়েছে আমাদের। গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া গাঁজা। - নিজস্ব চিত্র