Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

দিল্লিতে জল-যন্ত্রণার স্থায়ী সমাধানে তৈরি হবে চারটি নালা

মাত্রাছাড়া দূষণ কমাতে দিল্লিতে কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের চমক ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এবার ফের নতুন চমকের পথে হাঁটছে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নেতৃত্বাধীন দিল্লি সরকার।

দিল্লিতে জল-যন্ত্রণার স্থায়ী সমাধানে তৈরি হবে চারটি নালা
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মাত্রাছাড়া দূষণ কমাতে দিল্লিতে কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের চমক ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এবার ফের নতুন চমকের পথে হাঁটছে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নেতৃত্বাধীন দিল্লি সরকার। তাদের দাবি, আগামী বর্ষার মরশুমে জল জমার সমস্যা থেকে স্থায়ী সুরাহা মিলবে দিল্লির মানুষের। প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দিল্লিতে তৈরি হবে চারটি নিকাশি নালা। এর ফলে দেশের রাজধানী শহরের আর কোথাও কোনওভাবেই জল জমবে না। যদিও দিল্লির বিজেপি সরকার আরও একটি ‘জুমলা’র পথে হাঁটছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। 

Advertisement

ভোটের প্রচারে বর্ষার মরশুমে জলা জমা সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বর্ষার মরশুমেই এব্যাপারে ডাহা ফেল করেছে বিজেপি সরকার। সেসময় তাদের সাফাই ছিল, মাত্র কয়েকমাস সময়ের ব্যবধানে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এবার তাদের নতুন দাবি, যে চার বৃহৎ নিকাশি নালা তৈরি হবে, তা আদতে দিল্লির ‘ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যানে’র অংশ হিসেবেই কাজ করবে। সেইমতো মুন্ডকা হল্ট - সাপ্লিমেন্টারি ড্রেন, এমবি রোড স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন, কিরারি-রিঠালা ট্রাঙ্ক ড্রেন এবং রোহতক রোড জুড়ে (১০ নং জাতীয় সড়ক) স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। 
প্রসঙ্গত, দিল্লির ‘ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি হয় সত্তরের দশকে। পরবর্তী পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে দিল্লিতে জনসংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তেমনই পাল্টেছে এর বৈশিষ্ট্যও। কিন্তু সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শহরের নিকাশি সংক্রান্ত মাস্টার প্ল্যান আর পালটানোই হয়নি। স্বাভাবিক কারণেই এর ফল ভুগতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময় এসংক্রান্ত অভিযোগ করেছে একাধিক রাজনৈতিক দল এবং বিশেষজ্ঞ মহল। এহেন পরিস্থিতিতে সেই মাস্টার প্ল্যানেরই প্রয়োজনীয় সংশোধনে উদ্যোগী হচ্ছে দিল্লির বিজেপি সরকার। অন্তত এমনই দাবি করা হয়েছে দিল্লির শাসক দলের পক্ষ থেকে। তবে তাতে আদৌ কাজ হবে কি? কোনওমতেই আর না আঁচিয়ে বিশ্বাস করতে চাইছে না দিল্লির সাধারণ মানুষ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ