Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হিংসায় ইন্ধন জোগাচ্ছেন প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র, দাবি নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

হিংসায় ইন্ধন জোগাচ্ছেন প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র, দাবি নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
  • ২৯ মার্চ, ২০২৫ ১৩:০৩
Prefer us on Google

কাঠমাণ্ডু: রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে শনিবারও উত্তপ্ত নেপাল। রাজধানী কাঠমাণ্ডু সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিস্থিতি এখন থমথমে। দেশজুড়ে ধরপাকড় শুরু করেছে প্রশাসন। গতকালের হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শতাধিক রাজতন্ত্রপন্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাঁদের মধ্যে রাজতন্ত্রের সমর্থক দক্ষিণপন্থী কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতা আছেন। এর মধ্যেই চলতি অশান্তির জন্য প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে দায়ী করেছেন নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল ওরফে প্রচণ্ড। প্রাক্তন এই মাওবাদী নেতার দাবি, নিজের ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাধারণ মানুষকে খেপিয়ে তুলছেন প্রাক্তন রাজা। তিনিই বিক্ষোভকারীদের মদত দিচ্ছেন। প্রাক্তন রাজার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশের সরকারের কাছে আবেদন করেছেন প্রচণ্ড।

Advertisement

কাঠমান্ডুতে আক্রান্ত সিপিএন (ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট)-এর সদর দপ্তর শনিবার পরিদর্শন করেন প্রচণ্ড। পরে সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘এখন জলের মতো স্পষ্ট যে জ্ঞানেন্দ্র শাহ পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন। তিনিই বিক্ষোভকারীদের প্ররোচিত করছেন। আগেও আমরা এমন জিনিস দেখেছি। আবারও একই ঘটনা ঘটছে। এই বিষয়ে সরকারের এখনই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। প্রাক্তন রাজাকেও ছাড় দিলে চলবে না। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড বর্তমানে বিরোধী দল সিপিএন (মাওবাদী সেন্টার)-এর চেয়ারপার্সন। স্বাভাবিকভাবে এই ইস্যুতে দেশের বর্তমান শাসক শিবিরকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি গতকাল পুলিস প্রশাসনের ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

শুক্রবার কাঠমাণ্ডুর তিনকুনে এলাকায় প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহর সমর্থকদের সমাবেশ ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় সিপিএন (ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট)-এর সদর দপ্তরে। এর পাশাপাশি যানবাহন, শপিং মল, সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়েও আগুন ধরানো হয়। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। আক্রান্ত হয় নিরাপত্তা বাহিনী। গতকালের হিংসায় মৃত্যু হয়েছে দুজনের। এর মধ্যে একজন সংবাদকর্মী।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ