Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬

বিজেপির পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতির দৌড়, এগিয়ে হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর

শেষ মুহূর্তে সর্বভারতীয় বিজেপির সভাপতির দৌড়ে প্রথম সারিতে উঠে এলেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর।

বিজেপির পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতির দৌড়, এগিয়ে হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর
  • ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজু চক্রবর্তী, কলকাতা: শেষ মুহূর্তে সর্বভারতীয় বিজেপির সভাপতির দৌড়ে প্রথম সারিতে উঠে এলেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ, আবাস ও নগরোন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী পদে রয়েছেন সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ এই বর্ষীয়ান নেতা। পার্টির সর্বোচ্চ পদে বসতে আগে তাঁকে মন্ত্রীত্ব ছাড়তে হবে। ঠিক একইভাবে জগতপ্রকাশ নাড্ডা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন। পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশের একাধিক দপ্তরের মন্ত্রিত্ব সামলেছেন নাড্ডা। ২০২৪ সালে তৃতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকার গঠনের পর সেই নাড্ডাকেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ শেষ করে কার্যত এক্সটেনশনে থেকে মেক-শিফ্ট সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন নাড্ডা। সূত্রের দাবি, বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) সর্বভারতীয় প্রতিনিধি সভায় পরবর্তী বিজেপি সভাপতি নিয়ে চর্চা হয়েছে। সেখানেই নাগপুরের প্রিয়পাত্র হিসেবে খট্টরের নাম আচমকাই সামনে চলে এসেছে। ১০ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর গত বছর ১২ মার্চ হরিয়ানার প্রশাসনিক প্রধান পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেন। তারপরই কার্নাল কেন্দ্র থেকে পদ্ম চিহ্নে জিতে লোকসভার সদস্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালে আরএসএস যোগ দেন খট্টর। তিনবছরের মধ্যে পুরদস্তুর স্বয়ংসেবক পদে উন্নীত হন। প্রায় দেড়দশক আরএসএস’র বিভিন্ন সংগঠনের একাধিক গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ১৯৯৪ সালে খট্টরকে বিজেপিতে পাঠায় সঙ্ঘ। ১৪ বছর হরিয়ানা বিজেপির সর্বোচ্চ সাংগঠনিক পদ (সাধারণ সম্পাদক সংগঠন) সামলেছেন খট্টর। বর্তমানে মোদির নেতৃত্বাধীন পার্টির সর্বোচ্চ এগজিকিউটিভ কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। সঙ্ঘের প্রচারক ও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে মনোহর লাল খট্টরের। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মহিলাদের পোশাক সম্পর্কে ‘অসম্মানজনক’ মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। বয়স বাধা না হলে ৭০ বছরের খট্টরের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সঙ্ঘের গুড বুকে থাকা নেতাকে সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি বানানোর দৌড়ে সক্রিয় হয়েছে গুজরাত ও মহারাষ্ট্র লবি। ৭৫ বছর বয়সি মোদি অপেক্ষাকৃত প্রবীন নেতাকে পার্টির প্রধান করে গেরুয়া অক্ষে আবর্তিত বয়স সংক্রান্ত চর্চায় জল ঢালতে চাইছেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই বিজেপির পরবর্তী সভাপতির নাম ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছেন খট্টর। -ফাইল চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ