Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হাঙ্গেরিতে গবাদি পশুদের মধ্যে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে পা ও মুখের রোগ, চিন্তিত চিকিৎসকরা

হাঙ্গেরিতে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে পা ও মুখের রোগ(এফএমডি)।

হাঙ্গেরিতে গবাদি পশুদের মধ্যে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে পা ও মুখের রোগ, চিন্তিত চিকিৎসকরা
  • ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ ১২:০৪

বুদাপেস্ট, ১৩ এপ্রিল: হাঙ্গেরিতে মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে পা ও মুখের রোগ(এফএমডি)। যা সামলাতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে এই রোগ মানুষের মধ্যে নয় ছড়িয়ে পড়ছে গবাদি পশুদের মধ্যে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে হাঙ্গেরির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ। সিল করে দেওয়া হয়েছে সীমান্ত। চলতি বছরের মার্চ মাসে এই রোগটি প্রথম ধরা পড়ে উত্তর-পশ্চিম হাঙ্গেরির একটি খামারে। তার দু’সপ্তাহ বাদে হাঙ্গেরির প্রতিবেশি দেশ স্লোভাকিয়ায় এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয় তিনটি খামারের গবাদি পশুরা। তারপর থেকেই হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে পা ও মুখের রোগ(এফএমডি)। হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার আরও ছয়টি খামারে থাকা গবাদি পশুগুলি আক্রান্ত হয়েছে এই রোগে। যা চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে দুই দেশের চিকিৎসকদের। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর যে, হাজার হাজার গবাদি পশুকে মেরে ফেলা হচ্ছে। যার ফলে আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে দুই দেশে। বিশেষ করে হাঙ্গেরিতে। এখানে গবাদি পশু থেকেই মোটা টাকা আয় হয়। তবে এটি কোনও স্বাভাবিক ভাইরাস নয় বলেই দাবি করছেন হাঙ্গেরির চিকিৎসকরা। এমনকী এই বিষয়ে একই মত প্রকাশ করেছেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবানের চিফ অফ স্টাফ গের্গেলি গুলিয়াস। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘আমরা বলতে পারি যে ভাইরাসটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপত্তি হয়নি। হয়তো কৃত্রিমভাবে এটিকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর সেই কৃত্রিমভাবে তৈরি ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করছি আমরা।’ কোনও বিদেশি পরীক্ষাগারে এটিকে তৈরি করে হাঙ্গেরিতে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। বেশ কয়েকবছর পর এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাওয়ার জন্য সতর্ক ইউরোপীয় ইউনিয়ন। পা ও মুখের রোগ, যাকে এফএমডিও বলা হয়, এটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। তবে এর থেকে মানুষের কোনও বড় বিপদ হবে না বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। মূলত গরু, শূকর, ভেড়া, ছাগল, হরিণের মতো প্রাণীরা বেশি এই রোগে আক্রান্ত হয়। এই রোগের ফলে গবাদি পশুগুলির জ্বর এবং মুখে ফোসকা দেখা দেয়।

Advertisement

 

সম্পর্কিত সংবাদ