সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ শহরের রেস্তরাঁয় খাওয়ানো হচ্ছে পচা মাছ, মুরগির মাংস! মেয়াদ উত্তীর্ণ মিষ্টিও বিক্রি হচ্ছে দোকান থেকে! কিছু খাবারের দোকানের তো আবার ফুড লাইসেন্সও নেই। পুজোর আগে বিভিন্ন খাবারের দোকানে হানা দিয়ে নষ্ট মাংস, বাসি মাছ ফেলে দিয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের কর্তারা। এরপর কড়া পদক্ষেপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এক সপ্তাহের মধ্যে ফুড লাইসেন্সও বানিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে পুলিস ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে কালিয়াগঞ্জ শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে যান জেলা খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক সন্তোষ কুমার পাল। স্বাস্থ্য বিধি মেনে রেস্তরাঁ, হোটেলে রান্না হচ্ছে কি না, খাবারের মান কেমন- সবই খতিয়ে দেখেন কর্তারা।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উৎসবে বাড়তি অভিযান চালানো হচ্ছে। রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদে অভিযান শুরু হয়েছে। বুধবার দিনভর কালিয়াগঞ্জ শহরে মিষ্টির দোকান, হোটেল, রেস্তরাঁ, বিরিয়ানির দোকানে হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক। শুধু খাবার পরীক্ষাই নয়, ঘুরে দেখা হয় রান্নাঘর ও স্টোর রুম। নমুনাও সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ল্যাবে। জেলা খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকের কথায়, পুজোয় বিভিন্ন খাবারের দোকানে ভিড় হবে। ক্রেতাকে যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার দেওয়া হয়, সেজন্য দোকান মালিক ও কর্মচারীদের সচেতন করা হয়। পুজোর সময়েও বাড়তি নজরদারি চলবে।
এদিন বিভিন্ন দোকানে নিয়ম না মানার ছবি নজরে আসে আধিকারিকদের। বেশিরভাগ দোকানেই বাসি খাবার পাওয়া গিয়েছে।
সন্তোষবাবু বলেন, একাধিক দোকান থেকে নষ্ট মিষ্টি, পচা মাছ, মুরগির মাংস নষ্ট করা হয়েছে। আর্থিক জরিমানা না করা হলেও দোকানদারদের সতর্ক করা হয়েছে। ফুড লাইসেন্স ছাড়াই কিছু খাবারের দোকান চলছে। এক সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান।-নিজস্ব চিত্র