সংবাদদাতা, কাঁথি: মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলেও কাঁথির পড়ুয়াদের সাফল্য। মাধ্যমিকে কাঁথির মডেল ইন্সটিটিউশনের দুই ছাত্র যথাক্রমে মেধাতালিকায় চতুর্থ ও নবম স্থান অধিকার করেছিল। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে কাঁথির কিশোরনগর শচীন্দ্র শিক্ষাসদনের ছাত্র বিপ্রদীপ জানা মেধাতালিকায় নবম স্থান অধিকার করেছেন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকে এগরার দু’টি স্কুলের দুই ছাত্রীর সাফল্যে খুশির হাওয়া শহরজুড়ে। এগরার ঝাটুলাল হাইস্কুলের ছাত্রী জৈৎসী ঘোষ উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৯১নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থান অধিকার করেছেন। পার্শ্ববর্তী এগরা স্বর্ণময়ী গালর্স হাইস্কুলের ছাত্রী বর্ণিতা হাজরাও ৪৯১নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থান আধিকার করেছে। তিনজনই চান চিকিৎসক হতে। জৈৎসীর বাড়ি এগরা শহরের ৭নম্বর ওয়ার্ডের কসবা-এগরা এলাকায়। বাবা প্রশান্তকুমার ঘোষ পটাশপুরের পালপাড়া কলেজের অঙ্কের অধ্যাপক। মা লোপিতাদেবী সংসার সামলান। জৈৎসী বলেন, নিট দিয়েছি। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগচ্ছি। বর্ণিতার বাড়ি এগরা শহরের ৪নম্বর ওয়ার্ডের অলুঁয়া এলাকায়। বাবা মৃগাঙ্ক হাজরা শহরে জেরক্সের দোকানে কাজ করেন। আয় খুব একটা ভালো নয়। দাদা তন্ময় ফিজিক্যাল সায়েন্সে বিএড করছেন। তিনি টিউশনি পড়িয়ে বাবাকে সাহায্য করেন। মা বনশ্রীদেবীর কাঁধে গোটা সংসারের দায়িত্ব। এরকম পরিস্থিতিতে পড়াশোনা করে বর্ণিতা মেধাতালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করায় স্কুলের শিক্ষিকারা থেকে শুরু করে সকলেই তাঁকে বাহবা দিচ্ছেন। এর আগে মাধ্যমিকে একটুর জন্য র্যাঙ্ক হাতছাড়া হয়েছিল বর্ণিতার। এবার আক্ষেপটা ঘুচেছে বর্ণিতার। তিনি ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চান বলে জানালেন। ঝাটুলাল হাইস্কুলের টিচার-ইনচার্জ দেবাশিস জানা ও স্বর্ণময়ী গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কৃষ্ণকলি ভট্টাচার্য বলেন, আমরা মেধা তালিকায় স্থানাধিকারী ছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছি।



