সংবাদদাতা, ইটাহার: দু’দশক থেকে রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে স্লিপার। রেললাইনের জন্য আর কতটা সময় লাগবে, ট্রেন কবে চলবে, কতটা অপেক্ষায় থাকতে হবে, আক্ষেপ ইটাহারের মানুষের। বহু বছর আগে রায়গঞ্জ-ইটাহার-গাজোল রেল প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছিল। রেললাইন বসানোর জন্য ফেলা হয়েছিল কংক্রিটের স্লিপার। কিন্তু তারপর হঠাৎ এই প্রকল্প থমকে যায়। তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ইটাহার জংশন থাকলেও বাস্তবে তা নেই।
সূত্রের খবর, কয়েকবার অর্থ বরাদ্দ হলেও না বসেছে রেললাইন, না হয়েছে জংশন। বর্তমানে ইটাহারের নানা এলাকায় পড়ে রয়েছে কংক্রিটের স্লিপার। বহুবছর আগে সমীক্ষা, মাপজোখ, বাসিন্দাদের নোটিশ সহ একাধিক প্রক্রিয়া শুরু হলেও শেষমেশ জমি অধিগ্রহণ হয়নি। ফলে ইটাহারবাসীর রেলে ওঠার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গিয়েছে।
ইটাহারবাসীর বক্তব্য, প্রাক্তন মন্ত্রী শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়ের পর আর কেউ এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেননি। চাভোট গ্রামের বাসিন্দা নিলাংশু রায় বলেন, রেললাইন হলে আমরা অল্প খরচে কলকাতা সহ বাইরে রাজ্যে চিকিৎসা করাতে যেতে পারব। শ্যামলী দাসের কথায়, বহু বছর আগে রেলের পক্ষ থেকে নোটিশ পেয়েছিলাম। গিয়েওছিলাম ডিএম অফিসে। কিন্তু আজও রেললাইন হয়নি।
রায়গঞ্জ-ইটাহার-গাজোল রেল প্রকল্প কি বাস্তবরূপ পাবে? ইতিমধ্যে রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক পাল ও বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এই প্রকল্প নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে দরবার করেছেন। এমপি কার্তিকের দাবি, রেলের পিংক বুকে এই প্রকল্পটি নথিবদ্ধ হয়েছে। মন্ত্রক চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। এই প্রকল্পের গুরুত্ব বিচার করে রেলমন্ত্রী ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।