নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ইপিএফ গ্রাহক অ্যাকাউন্টের কত টাকা ‘অব্যবহৃত’, তার হিসেবই রাখে না কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। ‘ডিসপিউটেড অ্যামাউন্ট’— তহবিলের সঞ্চিত অর্থকে এভাবে ভাগ করাই হয় না। সোমবার সংসদে এমনই ‘আজব’ এবং ‘অদ্ভুত’ ব্যাখ্যা দিয়েছে শ্রমমন্ত্রক। পাশাপাশি সংসদে শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, ইপিএফও তহবিলে সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ সাড়ে ১৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। তিন বছরে গড়ে প্রায় দু’লক্ষ কোটি টাকা করে কন্ট্রিবিউশনের অর্থ জমা পড়েছে ইপিএফওর ঘরে। এদিন ইপিএফওর অব্যবহৃত অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করেন আপ সাংসদ মালবিন্দর সিং কাং। তার জবাবে শ্রম রাষ্ট্রমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে জানিয়েছেন, ‘ডিসপিউটেড অ্যামাউন্ট’ এভাবে ইপিএফওর সঞ্চিত অর্থকে ভাগ করা হয় না।



