সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: অমৃত ভারত প্রকল্পে পুরাতন মালদহ শহরের মালদহ কোর্ট স্টেশনে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছিল। বুধবার ওই স্টেশনের কাজের পরিদর্শন করেন কাটিহারের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার, রেলের ইঞ্জিনিয়ার সহ অন্য পদস্থ আধিকারিকেরা। এদিন তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু, মালদহের বিধায়ক গোপাল সাহা, পুরাতন মালদহ পুরসভার কাউন্সিলার বাসন্তী রায়, স্টেশনের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য সহ অন্যরা। পরামর্শদাতা কমিটির সদস্যরাই অভিযোগগুলি রেলের স্টেশন কর্তাদের নজরে নিয়ে আসেন। এদিন কাজের পরিদর্শনের সময় তাল কাটে ডিআরএমের সামনেই বিধায়কের সঙ্গে রেলের সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ারের তর্কাতর্কিতে। বিধায়কের বক্তব্য, কাজের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করায় ওই ইঞ্জিনিয়ার খারাপ ব্যবহার করেন। একজন বিধায়কের সঙ্গে এমন ভাবে কথা বলা যায় না, সেটাই সরাসরি বলেছি তাঁকে। ইঞ্জিনিয়ারের বক্তব্য, বিধায়ক বলেছেন কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না। আমি যদি বলি কাজ ঠিক হচ্ছে, সেটা তো হবে না। কাজের নমুনা সেখানে রয়েছে। খতিয়ে দেখা হবে বলা হয়েছে। কোর্ট স্টেশন এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অমৃত ভারত প্রকল্পে প্রায় ৮ কোটি টাকা বরাদ্দে মালদহ কোর্ট স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্ল্যাটফর্ম বাড়ানো, টিকিট কাউন্টারের জন্য ঘর নির্মাণ হবে। ওই স্টেশনের কাজের পরামর্শদাতা কমিটিতে পাঁচজন সদস্য রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সদস্যরা রেল মন্ত্রকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য মোহন দত্ত বলেন, নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। কমিটির সদস্যরা মিলে ডিআরএমকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম। এদিন তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে গিয়েছেন। সব কিছুই বলেছি। এরপর রেলমন্ত্রক যেটা ভালো হয়, করবে। আমরা ভালো কাজ চাই। খগেন মুর্মুর কথায়, আমরা কাজের তদারকি করেছিলাম। কিছুদিন আগে কাজ হলেও এখনই ঢালাই ফেটে যাচ্ছে। ডিআরএম এসে দেখেছেন। নিয়ম অনুযায়ী কাজ না হলে পুরো পেমেন্ট দেওয়া হবে না। যেটুকু কাজ করেছে, সেটার তদন্ত করেই বিল দেওয়া হবে।



