সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ঈদের দিনেই শর্টসার্কিটে তিনটি বাড়ি পুড়ে গেল হরিরামপুরের যমুনা এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের নাম এনামুল হক, আরজাউল হক, সাইমুন বেওয়া।
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ঈদের দিনেই শর্টসার্কিটে তিনটি বাড়ি পুড়ে গেল হরিরামপুরের যমুনা এলাকায়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের নাম এনামুল হক, আরজাউল হক, সাইমুন বেওয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এনামুলের বাড়ি থেকে প্রথম আগুনের ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয়রা। টিনের বাড়িতে আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে এনামুলের মা ও ছেলের ঘরেও আগুন লেগে যায়। এনামুল ও তাঁর পরিবার ঈদের অনুষ্ঠানে পাড়াতেই আনন্দ করছিল। বাড়িতে এসে দেখেন আগুনে পুড়ছে তিনটি ঘর। স্থানীয় বাসিন্দারা পাম্পসেট দিয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। খবর পেয়ে হরিরামপুর থানার বিশাল পুলিসবাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। খবর পেয়ে বুনিয়াদপুর দমকল কেন্দ্রের ইঞ্জিনও এসে পৌঁছয়। তবে তার আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে দমকলের ভূমিকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। আগুনে তিনটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে যায়। দমকল ও পুলিসের অনুমান, শট সার্কিটের জেরে আগুন লেগেছে। ঈদের দিনে বাড়িঘর পুড়ে হতাশ তিনটি পরিবার। পরিবার নিয়ে কোথায় রাত কাটাবে, চিন্তায় ক্ষতিগ্রস্তরা। ক্ষতিগ্রস্ত এনামুল হক বলেন, ঈদের দিনে কীভাবে বাড়িতে আগুন লাগল, বুঝতে পারছি না। পর পর তিনটি ঘর শেষ হয়ে গেল নিমেষে।
হরিরামপুর থানার আইসি অভিষেক তালুকদার বলেন, গোকর্ণের যমুনা এলাকায় তিনটি বাড়িতে আগুন লাগে। স্থানীয়দের পাশাপাশি পুলিসও আগুন নেভাতে হাত লাগায়। পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেছেন জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ খগেশ্বর দেবশর্মা। তিনি জানান, গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে ত্রাণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।