Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কমেছে হাতির দৌরাত্ম্য, ৩ বছর পর ফের ভুট্টা ফলছে নকশালবাড়ির নেপাল সীমান্তের গ্রামে

তবে বছর দু’য়েক ধরে হাতির দৌরাত্ম্য কমায় ভুট্টা চাষে ঝোঁক বেড়েছে নকশালবাড়ি ব্লকের নেপাল সীমান্তের চাষিদের।

কমেছে হাতির দৌরাত্ম্য, ৩ বছর পর ফের ভুট্টা ফলছে নকশালবাড়ির নেপাল সীমান্তের গ্রামে
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: ভুট্টার মরশুম শুরু হলে হাতির হানা বেড়ে যায়। তবে বছর দু’য়েক ধরে হাতির দৌরাত্ম্য কমায় ভুট্টা চাষে ঝোঁক বেড়েছে নকশালবাড়ি ব্লকের নেপাল সীমান্তের চাষিদের। কেটুগাবুর জোত, কিলারাম জোতে কয়েকশো বিঘা জমিতে চলছে ভুট্টাচাষ। কোনও গাছে ফুল ধরেছে। কোনটায় এসেছে ভুট্টা। এতেই খুশি চাষিরা। তবে পুরো আতঙ্ক কাটেনি এখনও। কারণ, সীমান্ত ঘেঁষে রয়েছে কলাবাড়ি বনাঞ্চল। মাস দু’য়েকের মধ্যে কার্শিয়াং ডিভিশনের এক্তিয়ারভুক্ত ওই বনাঞ্চলে প্রথম ধাপে হাতির আনাগোনা শুরু হবে। ডিভিশনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এপ্রিল থেকে জুলাই-ভুট্টার মরশুমে। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর-ধানের মরশুমে হাতির হানা তীব্র হয়। এবছর তা মোকাবিলা করতেই পানিঘাটা রেঞ্জের কিউআরটি টিম সহ টাইপু স্কোয়াড তৎপর রয়েছে।

Advertisement

সঞ্জিত মল্লিক নামে স্থানীয় এক চাষি বলেন, গতবছর কৃষিজমিতে হাতির হানা খুব একটা হয়নি। বনকর্মীদের টহলদারি জেরে হানা রোখা গিয়েছিল। এজন্য এলাকার চাষিরা আবার ভুট্টাচাষ শুরু করেছেন। যা গত তিনবছর ধরে হত না। অপরএক এক চাষি মেহবুব আলম বলেন, বিঘা প্রতি ৬ কুইন্টাল ভুট্টার ফলন হয়। তিনবিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। একমাসের মধ্যে ভুট্টা পাঁকতে শুরু হবে। আশা করছি, হাতির হানা না হলে ফসল বাড়িতে তুলতে পারব। 
এই ব্যাপারে কার্শিয়াং ডিভিশনের পানিঘাটার রেঞ্জার সমীরণ রাজ বলেন, রেঞ্জের এক্তিয়ারভুক্ত কলাবাড়ি বনাঞ্চলে এখন দু’টির মতো হাতি রয়েছে। তবে ভুট্টার মরশুমে শেষের দিকে হাতির দল বনাঞ্চলে ঘাঁটি গাড়বে। আমরা তা মোকাবিলা করতে প্রস্তুতি নিয়েছি। রেঞ্জ সহ বিটেও টহলদারি ভ্যান রয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ সুদৃঢ় করতে ওয়াকিটকির ব্যবহার করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে রেঞ্জের কন্ট্রোলরুম থেকে কিউআরটি টিমকে গাইড করা হয়। একইসঙ্গে জেএফএমসি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও যথেষ্ট সহযোগিতা করে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ