Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চাল জমা দিতে পিছিয়ে থাকা জেলাকে সক্রিয় হতে নির্দেশ

সরকারি উদ্যোগে চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চাল জমা দিতে কয়েকটি জেলা কিছুটা পিছিয়ে আছে। ওই জেলাগুলিকে চাল দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদপ্তর।

চাল জমা দিতে পিছিয়ে থাকা জেলাকে সক্রিয় হতে নির্দেশ
  • ২৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি উদ্যোগে চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চাল জমা দিতে কয়েকটি জেলা কিছুটা পিছিয়ে আছে। ওই জেলাগুলিকে চাল দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। এই ব্যাপারে সব থেকে পিছিয়ে আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। মোট উৎপাদিত চালের ৬৫ শতাংশ ওই জেলা দিয়েছে। হুগলি ৭৪ শতাংশ, পূর্ব বর্ধমান ৭৬ শতাংশ, কেচাবিহার ৭৮ শতাংশ, হাওড়া ও মুর্শিদাবাদ ৮০ শতাংশ, ঝাড়গ্রাম এবং উত্তর দিনাজপুর ৮১ শতাংশ চাল জমা দিয়েছে। সব মিলিয়ে ৩১ লক্ষ ২৭ হাজার টন চাল ইতিমধ্যে পেয়ে গিয়েছে বলে সম্প্রতি খাদ্যদপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে জানানো হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে কেনা ধান থেকে চলতি খরিফ মরশুমে মোট ৩৮ লক্ষ ৩০ হাজার টন চাল পাওয়া যাবে। 

Advertisement

চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার পর তা সরাসরি নির্দিষ্ট রাইস মিলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় চাল উৎপাদনের জন্য। রাইস মিল থেকে চাল পাঠানো হয় সরকারি গুদামে। সেন্ট্রাল ও স্টেট পুলের চাল জমা রাখা হয় সরকারি গুদামে। সেন্ট্রাল পুলের চাল সরবরাহ করা হয় জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের রেশন গ্রাহক, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র প্রভৃতির জন্য। স্টেট পুলের  চাল মূলত রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের রেশন গ্রাহকসহ কয়েকটি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। সেন্ট্রাল পুলের চাল জুলাই মাসের মধ্যে যাতে জমা পড়ে তার জন্য নির্দেশ দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। স্টেট পুলের চাল জমা দেওয়ার জন্য আগস্ট মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। যেসব রাইস মিলের কাছে বেশি পরিমাণে চাল পাওনা আছে বৈঠকে সেগুলির কথা আলাদাভাবে উল্লেখসহ বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ