নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নজরদারি শিকেয় উঠল। দীপাবলিতে দেশের রাজধানী শহরের দূষণে একপ্রকার ‘চ্যাম্পিয়ন’ হল দিল্লির বিজেপি সরকার। সোমবার রাতে দিল্লিতে সীমাহীন শব্দবাজি এবং আতশবাজি পোড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে স্পষ্ট হয়েছে, শুধুমাত্র পরিবেশ বান্ধব আতশবাজি ব্যবহারের অনুমোদন থাকলেও তা কার্যত মানাই হয়নি। এর জেরে মঙ্গলবার সকালে দিল্লির দূষণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) নির্ধারিত মানের থেকেও বেড়ে গেল প্রায় ১৫ গুণ! দূষণ সৃষ্টিকারী পিএম২.৫য়ের মান দিল্লির বাতাসে প্রতি ঘনমিটারে ১৫ মাইক্রোগ্রাম থাকার পরিবর্তে এদিন সকালে পৌঁছে যায় প্রায় ২২৮ মাইক্রোগ্রামে। ‘এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স’ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ৪০০-এর বেশি ছাড়িয়ে যায় মঙ্গলবার সকালে। তবে শুধুমাত্র দিল্লি নয়। এদিন সকালে নয়ডা, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদ, গ্রেটার নয়ডার মতো শহরগুলির প্রায় প্রতিটিতেই দূষণ পরিস্থিতি বিপজ্জনক সীমায় পৌঁছেছে। ফলে মঙ্গলবার সকালেও ধোঁয়াশার চাদরে মুড়ে গিয়েছে দিল্লি-এনসিআরের একটি অংশ। তবে এত কিছুর পরেও দিল্লির বিজেপি সরকারের ঘুম ভাঙার কোনও লক্ষণ নেই। উলটে মন্ত্রী আশিস সুদ এর দায় চাপিয়েছেন সাধারণের উপরই। বলেছেন, জনগণই সুপ্রিম কোর্টের রায় মানেনি। লোকজন দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাদের গাইডলাইন মেনেই দীপাবলি উৎসব পালন করা উচিত ছিল। ব্যর্থতা ঢাকতে আর এক মন্ত্রী আবার টেনে এনেছে হিন্দু-মুসলমান তত্ত্ব। মঙ্গলবার দিল্লি সরকারের মন্ত্রী মনজিন্দর সিং সিরসা আজব যুক্তি দিয়ে বলেছেন, ‘আওরঙ্গজেব, আকবরের সমর্থকরাই দূষণের জন্য দীপাবলিকে দায়ী করছে। যারা টিপু সুলতানের ছবি নিয়ে মাতামাতি করে, তারাই দীপাবলি বন্ধের কথা বলছে। সনাতন ধর্মের বিশ্বাসে কীভাবে আঘাত দেওয়া সম্ভব?’ কৃত্রিম বৃষ্টি প্রসঙ্গে সিরসার জবাব, সবার জানা উচিত, এর জন্য আগে মেঘ হওয়া দরকার। না হলে সিডিং সম্ভব নয়। দিল্লির পূর্বতন আপ সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে সিরসা এদিন বলেছেন, ‘বেছে বেছে



