লন্ডন: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। তারই আঁচ এসে পড়েছে জ্বালানি তেলের দরে। তবে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ও পরিবহণ পরিকাঠামোয় এখনও বড় কোনও ধাক্কা লাগেনি।
লন্ডন: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া। তারই আঁচ এসে পড়েছে জ্বালানি তেলের দরে। তবে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ও পরিবহণ পরিকাঠামোয় এখনও বড় কোনও ধাক্কা লাগেনি।
যুদ্ধের আবহে মঙ্গলবার প্রাথমিকভাবে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১.৪৯ ডলার (২.০৩ শতাংশ) বেড়ে হয় ব্যারেল প্রতি ৭৪.৭২ ডলার। আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও ১.২৮ ডলার (১.৭৮ শতাংশ) বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩.০৫ ডলারে দাঁড়ায়। ঘটনাচক্রে, তেলের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য কোনও প্রভাব না পড়লেও সাউথ পারস ফিল্ডে গ্যাস উৎপাদন আংশিক বাতিল করেছে ইরান। শনিবার ইজরায়েলের হামলায় এই গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে আগুন ধরে গিয়েছিল। ইরানের শাহরান তেল ডিপোতেও চলেছে ইজরায়েলের হামলা। এই অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের একটা অংশের বক্তব্য, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা বাজারের। তবে ইরান হুমকি দিয়ে রাখলেও শেষ পর্যন্ত ওই প্রণালী বন্ধের ঝুঁকি তেহরান নেবে না বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ এর ফলে ইরানকেই বিশাল পরিমাণে রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। মঙ্গলবার হরমুজের কাছে দু’টি জাহাজের সংঘর্ষের ফলে আগুন ধরে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ওই অঞ্চল দিয়ে যেসব সংস্থা তেল পরিবহণ করে, তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে এখনও পর্যন্ত তেল পরিবহণে বড় কোনও বিঘ্ন দেখা দেয়নি।