Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

খাড়্গে-সিংভিকে রাজ্যসভায় ফেরাচ্ছে কংগ্রেস, নীতিন নবীনকে ঘিরে টানাপোড়েন গেরুয়া শিবিরে

মেয়াদ শেষের পর ফের রাজ্যসভায় ফিরবেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। থাকবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতাও। আগামী জুন মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

খাড়্গে-সিংভিকে রাজ্যসভায় ফেরাচ্ছে কংগ্রেস, নীতিন নবীনকে ঘিরে টানাপোড়েন গেরুয়া শিবিরে
  • ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মেয়াদ শেষের পর ফের রাজ্যসভায় ফিরবেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। থাকবেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতাও। আগামী জুন মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটক থেকে তাঁকে ফের নির্বাচিত করা হবে। বিজেপির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি নীতিন নবীনকেও কি রাজ্যসভায় পাঠানো হবে? এই প্রশ্নে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে চলছে জোর টানাপোড়েন। কারণ, সেক্ষেত্রে রাজ্যসভার নেতার পদ থেকে সরাতে হবে প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি তথা দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রসাদ নাড্ডাকে। নীতিন নবীনকে তো আর সাধারণ সদস্য করে পিছনের সারিতে বসতে দেওয়া যায় না! তাই প্রবল সমস্যায় বিজেপি।

Advertisement

আগামী এপ্রিল মাসেই রাজ্যসভায় মেয়াদ শেষ হচ্ছে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের। ফলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিপিএমের আর কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকবে না সংসদের উচ্চকক্ষে। এপ্রিলে তৃণমূলের তিন সাংসদের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। তাঁরা হলেন সুব্রত বক্সি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাকেত গোখলে। মহারাষ্ট্রে বিধানসভা আসনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি আসন পেতে পারে বিরোধীরা। সম্মিলিতভাবে ভোট দিলে রাজ্যসভায় ফিরতে পারেন শারদ পাওয়ার। নচেৎ চলতি বছরেই তাঁর সংসদীয় রাজনীতিতে ইতি পড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বের পরেই আগামী এপ্রিল মাসে রাজ্যসভা ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাবে। চলতি বছরে সংসদের উচ্চকক্ষে ৭২ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাষ্ট্রপতি মনোনীত দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। রাজ্যসভায় এবার সামান্য হলেও কংগ্রেসের শক্তি বাড়তে চলেছে। এখন রয়েছেন ২৭ জন সাংসদ। সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ৩০। ২০২৬ সালে বিজেপির ১৭ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে অসমের ভুবনেশ্বর কলিতাকে আসন্ন বিধানসভা ভোটে প্রার্থী করা হতে পারে।  কংগ্রেসের ৮ জন অবসর নেবেন। তাঁদের মধ্যে খাড়্গের মতোই অভিষেক মনু সিংভিকে ফের সদস্য করা হবে বলেই দলীয় সূত্রে খবর। দিগ্বিজয় সিং মধ্যপ্রদেশ থেকে আর প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর জায়গায় লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ মীনাক্ষী নটরাজনকে আনা হতে পারে। যদিও মধ্যপ্রদেশের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জিতু পাটোয়ারিও সাংসদ হতে ইচ্ছুক। রাজস্থান থেকে পবন খেরাও রাজ্যসভায় যেতে আগ্রহী। গতবার তাঁর নাম উঠে এলেও শেষমুহূর্তে তা বাতিল হয়। এবারও এআইসিসির মিডিয়া সেলের প্রধান পবন খেরার টিকিট কাটার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ভঁওয়ার জিতেন্দর সিং। আবার মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি অলকা লাম্বাও টিকিট প্রত্যাশী। ফলে কংগ্রেসের অন্দরে এখন থেকেই শুরু হয়েছে টানাপোড়েন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ