Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

কেরলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত কংগ্রেস

কেরল কংগ্রেসে কেসি বনাম আরসি’র লড়াই ক্রমশ বাড়ছে। কে সি মানে কে সি বেণুগোপাল। কেরলের আলাপ্পুজার লোকসভার সাংসদ।

কেরলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত কংগ্রেস
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কেরল কংগ্রেসে কেসি বনাম আরসি’র লড়াই ক্রমশ বাড়ছে। কে সি মানে কে সি বেণুগোপাল। কেরলের আলাপ্পুজার লোকসভার সাংসদ। রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ। অন্যদিকে, আরসি মানে রমেশ চেন্নিথালা। আলাপ্পুজা জেলার হরিপদের বর্তমান বিধায়ক। তিনি আবার একা রাহুল নন, গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। কেরলে ভোটের আগে দলের দুই নেতার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই সামাল দিতে কংগ্রেস হাইকমান্ড তাই কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান কোনো সাংসদকে ভোটে লড়ানো হবে না। একইভাবে পরপর দু’বার ভোটে হারা কোনও ব্যক্তিকেও এবার প্রার্থী করা হবে না। 

Advertisement

এই অবস্থানে কে সি বেণুগোপালের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে আপাতত জল ঢেলে দিয়েছে হাইকমান্ড। কেরল নিয়ে বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানিয়ে দিয়েছে, প্রদেশ নেতৃত্ব যা চাইবে তাই হবে। কাউকে চাপিয়ে দেবে না হাইকমান্ড। তবে দলের এই অবস্থানে ক্ষমতায় ফেরার লড়াইয়েও যাতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে না আসে, তা নিয়ে সতর্ক কংগ্রেস। প্রদেশ নেতৃত্ব হাইকমান্ড জানিয়ে দিয়েছে, এবার ভোটে জিততেই হবে। তা নাহলে ইউডিএফ ভেঙে যেতে পারে। বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা এলডিএফের শক্তি ৯৫। ইউডিএফের ৪১। যদিও গতবার কংগ্রেস এবং সিপিএমের ভোট প্রাপ্তির হারে বেশি ফারাক ছিল না। সিপিএম পেয়েছিল ২৫.৩৮ শতাংশ। কংগ্রেস ২৫.১২ শতাংশ। তাই এবার ক্ষমতায় ফেরারই লক্ষ্যে ভোটে ঝাঁপাচ্ছে রাহুল গান্ধীর দল। অন্যদিকে সিপিএমের সামনে চ্যালেঞ্জ ক্ষমতা ধরে রাখা। তা নাহলে গোটা দেশে সিপিএম তথা বামেদের হাতে একটি রাজ্যও থাকবে না!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ