Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোটারদের শুনানির নোটিশ ধরানো শুরু কমিশনের, নয়া অপশন জুড়ল বিএলও অ্যাপে

বড়দিনের ছুটির পর, ২৭ ডিসেম্বর থেকে ভোটারদের শুনানি শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের তালিকায় যেসব ভোটারের নাম বা কোনও আত্মীয়ের নাম ছিল না, শুনানির প্রথম পর্যায়ে তাঁদের ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে এমন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ নোটিশ জারি হয়ে গিয়েছে।

ভোটারদের শুনানির নোটিশ ধরানো শুরু কমিশনের, নয়া অপশন জুড়ল বিএলও অ্যাপে
  • ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বড়দিনের ছুটির পর, ২৭ ডিসেম্বর থেকে ভোটারদের শুনানি শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ২০০২ সালের তালিকায় যেসব ভোটারের নাম বা কোনও আত্মীয়ের নাম ছিল না, শুনানির প্রথম পর্যায়ে তাঁদের ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে এমন ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ। কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ নোটিশ জারি হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

রাজ্য মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি অফিস, কলেজ বিল্ডিংয়ে হবে শুনানি। জেলাগুলির ক্ষেত্রে শুনানি হবে বিডিও অফিস এবং ব্লক স্তরের বিভিন্ন দপ্তরে। শুনানি কেন্দ্র কোথায় কোথায় হবে, তা ইআরওদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন জেলাশাসক বা ডিইও। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, প্রাথমিকভাবে ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের শুনানির নোটিশ পৌঁছে দেওয়া শুরু হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর থেকে শুনানির নোটিশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। তাঁরা সঠিকভাবে নোটিশ সংশ্লিষ্ট ভোটারের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন কি না বা ভোটার তা গ্রহণ করছেন কি না, সেই সংক্রান্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশনের তরফে বিএলও অ্যাপে একটি নতুন অপশন যোগ করা হয়েছে। ‘ডেলিভারি অফ সিডিউল হিয়ারিং নোটিশ’ নামে এই নতুন অপশনের মাধ্যমে কত নোটিশ ইস্যু করা হল, উল্লেখ করতে হবে বিএলওদের। 
এদিকে, হিয়ারিংয়ের নোটিশ ধরানো নিয়েও তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা। যেমন, এখন যে নোটিশ ডাউনলোড হচ্ছে, তাতে শুনানির জন্য যে স্থানের কথা বলা হয়েছে, সেখানে শুনানি নাও হতে পারে। ‘অটো জেনারেটেড হিয়ারিং নোটিশ’ যদি লেখা থাকে, তাহলে শুনানি হবে ব্লক অফিসে। কিন্তু আধিকারিকরা শুনানির জন্য কোনও স্কুল বা অন্য সরকারি ভবন ঠিক করে থাকলে কমিশনের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। অনুমোদন এলে তখন হাতে লিখে জানাতে হবে শুনানি কোথায় হবে। আর শুনানি যদি ব্লক অফিসেই হয়, তাহলে ওই নোটিশ বিএলওরা সংশ্লিষ্ট ভোটারকে দিয়ে আসতে পারবেন। আরও জানা যাচ্ছে, প্রায় চার হাজার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই মাইক্রো অবজার্ভারদের নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছে কমিশন। আগামী বুধবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে দু’দফায় তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাইক্রো অবজার্ভারদের মূল কাজ হবে, কমিশনের শুনানি পর্বের তদারকি করা। কমিশন সূত্রে আরও খবর, মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করা হবে, তাঁদের সকলে রাজ্যেরই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ