


লখনউ: কলেজ ছাত্রীকে খুন করার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম অলকা বিন্দ (২২)। তিনি বারাণসীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তাঁকে খুনের অভিযোগে প্রেমিক সাহেব বিন্দকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
অলকার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ কলেজের জন্য বেরিয়েছিলেন তিনি। তবে সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় থানায় নিখোঁজ ডায়রি করা হয়। বৃহস্পতিবার একটি ধাবার ঘর থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস। গলার নলি কাটা অবস্থায় একটি কম্বলের মধ্যে মোড়া ছিল দেহ। এই ঘটনায় পুলিসি নিষ্ক্রয়তার অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা।
পুলিস সূত্রে খবর, অলকার মোবাইল কল রেকর্ড ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা তাঁর প্রেমিক সাহেব বিন্দের খোঁজ পায়। ভদোহি জেলার একটি গ্রামে বোনের বাড়িতে লুকিয়ে ছিল সে। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধরা পড়ার পর পুলিসের উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। পাল্টা গুলি চালায় পুলিসও। পায়ে গুলি লাগে তার। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত। বারাণসীর ডেপুটি পুলিস কমিশনার আকাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, জেরায় দোষ স্বীকার করেছে সাহেব। সে জানিয়েছে, বিয়ের জন্য চাপ দিতেন অলকা। পাশাপাশি টাকাও চাইতেন। সেই চাপ সহ্য করতে না পেরেই খুন করেছে সে। ঘটনার দিন অলকাকে ধাবাতেই দেখা করতে বলেছিল সাহেব। সেখানেই তাঁকে খুন করে পালিয়ে গিয়েছিল। পরে ধাবার এক কর্মচারী মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিসে খবর দেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, ‘দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’