Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আলিপুরদুয়ার জেলায় অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে বাড়ছে, মানলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

তারজন্য সরকারি প্রকল্প থেকে যাতে কেউই বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

আলিপুরদুয়ার জেলায় অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে বাড়ছে, মানলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন
  • ১৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়, একথা মানলেন রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন লিনা গঙ্গোপাধ্যায়। তারজন্য সরকারি প্রকল্প থেকে যাতে কেউই বঞ্চিত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন একথা বলার পর জেলা প্রশাসন অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে হওয়ার প্রবণতা রুখতে জেলার কন্যাশ্রী ক্লাবগুলিকে আরও বেশি করে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। 

Advertisement

সোমবার জেলার প্রশাসনিক ভবন ডুয়ার্সকন্যায় গার্হস্থ্য হিংসা ও যৌন নিগ্রহ রুখতে একটি কর্মশালা হয়। জেলা নারী, শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে কর্মশালারটি হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় সহ সমাজকল্যাণ দপ্তরের অফিসাররা। 
কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেন, সারা রাজ্যেই গার্হস্থ্য হিংসা বা যৌন নিগ্রহের ঘটনা ঘটছে। তবে আলিপুরদুয়ারে এ ধরনের ঘটনা কম। কিন্তু এখানে অল্প বয়সেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অবশ্য তারজন্য আলাদা করে শিশু সুরক্ষা কমিশন আছে। ওই কমিশনই বিষয়টি দেখছে। এটা আমাদের এক্তিয়ারে পড়ে না। চেয়ারপার্সন আরও বলেন, অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে আটকাতে হবে। তারজন্য এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মশালা আরও বেশি করে করতে হবে। আলিপুরদুয়ার আদিবাসী ও চা বলয় এলাকা। চা বাগানে যাঁরা কাজ করেন তাঁদের নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা আছে। বাগানের ছেলেরা বাইরে চলে যায় কাজে। মেয়েরা বাগানেই থাকে। কম বয়েসে মেয়েদের বিয়ে রুখতে এলাকায় শিক্ষার দিকটায় বেশি জোর দিতে হবে। কেউ যাতে সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 
এদিন কর্মশালায় আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। শিশু সুরক্ষা, গার্হস্থ্য হিংসা বা যৌন নিগ্রহ রোধে যারা কাজ করে চলেছে জেলার সেই সমস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিও উপস্থিত ছিল। কর্মশালার পর মহিলা কমিশনের দলটি জেলার সরকারি হোমগুলির পরিষেবা ও স্বাচ্ছন্দ্য ঘুরে দেখে। 
রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের ওই বক্তব্য নিয়ে জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, জেলায় বাল্য বিবাহ রুখতে ইতিমধ্যেই স্কুলে স্কুলে সচেতনতামূলক শিবির করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। অল্প বয়সি মেয়েদের বিয়ে রোখার কাজে জেলার কন্যাশ্রী ক্লাবগুলিকে কাজে লাগানো হবে। চা বাগানে কন্যাশ্রী, সবুজসাথী বা যুবশ্রী প্রকল্প থেকে কেউ যাতে বঞ্চিত না হয় তাও নিশ্চিত করা হচ্ছে। 
 নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ