Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬

সিবিএসই স্কুলে ক্লাস এইট পর্যন্ত এনসিইআরটি ছাড়া অন্য বই কেনা যাবে না, আসছে নির্দেশিকা

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সিবিএসইর স্কুলে এনসিইআরটির বই ছাড়া অন্য পুস্তক কেনা যাবে না। স্কুলে স্কুলে এমনই নির্দেশিকা পাঠানোর পথে হাঁটছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)।

সিবিএসই স্কুলে ক্লাস এইট পর্যন্ত এনসিইআরটি ছাড়া অন্য বই কেনা যাবে না, আসছে নির্দেশিকা
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সিবিএসইর স্কুলে এনসিইআরটির বই ছাড়া অন্য পুস্তক কেনা যাবে না। স্কুলে স্কুলে এমনই নির্দেশিকা পাঠানোর পথে হাঁটছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। সরকারি স্তরে একটি বইয়ের দাম মাত্র ৬৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। সেখানে বেসরকারি প্রকাশনার কাছ থেকে বই কিনে মেটাতে হচ্ছে অন্তত ১৫০-২০০ টাকা। অভিযোগ, দেশের সিবিএসই স্কুলগুলির একটি অংশ অভিভাবকদের কার্যত বাধ্য করছে এনসিইআরটির (ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং) পরিবর্তে বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার বই কেনার জন্য। ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে অভিভাবকদের একটি বড় অংশকে। 

Advertisement

সরকারি স্তরে নির্দিষ্ট বন্দোবস্ত থাকতেও কেন বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার দ্বারস্থ হতে হবে, সেই প্রশ্ন উঠেছে। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। তার পরেই রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে মন্ত্রক। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলে দেওয়া হবে, ক্লাস এইট পর্যন্ত সিবিএসইর কোনও স্কুলে এনসিইআরটির বই ছাড়া অন্য পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করা যাবে না। যদিও এনিয়ে শিক্ষামন্ত্রকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
সরকারি সূত্রে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, কোনও স্কুলই অভিভাবকদের বেসরকারি প্রকাশনা সংস্থার পাঠ্যপুস্তক কেনার ব্যাপারে জোর করতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মর্মে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা যেতে পারে। সরকারি স্তরে প্রকাশিত বইও একইভাবে অধিক মূল্যে খোলা বাজারে বিক্রি করাও বেআইনি।
জানা যাচ্ছে, একাধিক সিবিএসই স্কুল একপ্রকার বাধ্য করায় একেবারে নীচু ক্লাসের বইও কিনতেও খরচ হচ্ছে ৪-৫ হাজার টাকা। একদিকে স্কুলের বেতন, অন্যদিকে বই কেনার বাড়তি খরচ সামলাতে নাজেহাল দশা অভিভাবকদের। তাঁদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন স্কুলে এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয় না। ফলে ভুক্তভোগীদের সমস্যার কোনওরকম সুরাহা হয় না। আগামীতে নির্দেশিকা পাঠানোর পাশাপাশি স্কুলগুলিতে আচমকা হানা দেওয়ার পথও খোলা রাখতে চাইছে কেন্দ্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ