Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হরিণঘাটায় নজর কাড়বে বৌদ্ধ মন্দির, চলে পরস্পরকে টেক্কা দেওয়ার পালা

হরিণঘাটা শহরে গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু থিম নির্ভর পুজো হয়ে আসছে। কল্যাণীর উপকণ্ঠে থাকা এই শহরেও পুজোর কয়েকদিন মানুষের ঢল নামে।

হরিণঘাটায় নজর কাড়বে বৌদ্ধ মন্দির, চলে পরস্পরকে টেক্কা দেওয়ার পালা
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কল্যাণী: হরিণঘাটা শহরে গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু থিম নির্ভর পুজো হয়ে আসছে। কল্যাণীর উপকণ্ঠে থাকা এই শহরেও পুজোর কয়েকদিন মানুষের ঢল নামে। পুজো কমিটিগুলির মধ্যে চলে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা। একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার পালা। হরিণঘাটা শহরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ঘেঁষা পল্লি উন্নয়ন সমিতির পুজো এবার দর্শকদের নজর কাড়বে বলেই উদ্যোক্তাদের দাবি। তাদের এ বছরের পুজো ৫৬তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। তাঁদের ভাবনায় রয়েছে থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ মন্দির। প্লাইউড, বাটাম, কাচ, ফাইবার দিয়েই এই মণ্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে। দর্শকদের সিঁড়ি দিয়ে প্রায় ১০ ফুট উপরে উঠে তারপর মূল মণ্ডপে প্রবেশ করতে হবে। সাদা রংয়ের এই মণ্ডপের সামনে তৈরি করা হচ্ছে সুদৃশ্য ফোয়ারা। বৌদ্ধ মন্দিরের সঙ্গে মানানসই ভাবে থাকবে দুর্গা প্রতিমা। দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে মণ্ডপের সামনে ব্যারিকেড তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার চতুর্থীর দিন মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধন হবে এই মণ্ডপের। পুজো কমিটির এক উদ্যোক্তা ভাস্কর সাহা বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এই বছরেও আমাদের মণ্ডপে ভিড় হবে দর্শনার্থীদের।

Advertisement

অন্যদিকে, হরিণঘাটা শহরে মণ্ডল বাজার এলাকায় দুর্গাপুজো হয়। আমরা ক’জন ক্লাবের উদ্যোগে হওয়া এই পুজোর মূল ভাবনায় রয়েছে সাবেকিয়ানা। কম বাজেটে আয়োজন হলেও এই পুজো ঘিরে খাওয়া-দাওয়া ও নানা অনুষ্ঠান হয় প্রতিদিন। পুজো কমিটির তরফে দুঃস্থদেরও সাহায্য করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ