


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খরচ কমাতে হবে। এই অজুহাতে ঠিকাকর্মী ছাঁটাইয়ের তোড়জোড় শুরু হয়েছে বিএসএনএলে। দিল্লির সেই নির্দেশ কার্যকরও হতে শুরু করেছে। তার প্রতিবাদে অনশন আন্দোলন শুরু করলেন ঠিকা কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকার নাকি শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে শ্রম কোড চালু করছে। এই কি তার নমুনা? গত ডিসেম্বরে একটি সার্কুলার জারি করা হয় বিএসএনএলের দিল্লি কর্পোরেট অফিস থেকে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ব্যয় সংকোচনের নামে সিকিউরিটি, হাউসকিপিং প্রভৃতি খাতে ২৫ শতাংশ খরচ কমানোর নিদান দেওয়া হয়। ১০ শতাংশ খরচ কমাতে হবে ইলেকট্রিক্যাল উইং থেকে। মোট কথা, ঠিকাকর্মী সংকোচন করেই খরচ কমানোর পথে হাঁটতে হবে। আন্দোলনকারী সংগঠন বিএসএনএল ন্যাশনালিস্ট ঠিকা ওয়ার্কার্স কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মিলব হালদার বলেন, কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে ঠিকা সংস্থাগুলিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে বিএসএনএলের তরফে। ইলেকট্রিক্যাল উইংয়ে ইতিমধ্যেই কর্মহীন কয়েকশো ঠিকা কর্মী। যাঁরা এখনও আছেন, এমনিতেই তাঁদের রোজগার তিনভাগের একভাগ হয়ে গিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, খরচ কমানোর নামে শ্রমিক ছাঁটাইয়ে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রীর। মিলববাবুর প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শ্রম কোড কি ছাঁটাইয়ের কথাই বলছে? তাঁর দাবি, ২০১৭ থেকে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ ঠিকাকর্মী সংকোচন করা হয়েছে কলকাতা টেলিফোনসে। তার উপর বর্তমানে চারমাস ঠিকা শ্রমিকদের বেতন বন্ধ। তাই লাগাতার আন্দোলন ছাড়া উপায় নেই।