Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

টানা তিনদিন ধস বাজারে, উবে গেল ৭.১৭ লক্ষ কোটির সম্পদ, পতন টাকার দরেও

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর জটে বিঘ্নিত জ্বালানি সরবরাহ। ফলে ফের চড়চড় করে বাড়ছে অশোধিত তেলের দাম।

টানা তিনদিন ধস বাজারে, উবে গেল ৭.১৭ লক্ষ কোটির সম্পদ, পতন টাকার দরেও
  • ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

মুম্বই (পিটিআই): পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর জটে বিঘ্নিত জ্বালানি সরবরাহ। ফলে ফের চড়চড় করে বাড়ছে অশোধিত তেলের দাম। আর তার জেরে একদিকে ডলারের সাপেক্ষে টাকার অবমূল্যায়ন অব্যাহত, অন্যদিকে নাগাড়ে ধস নামছে ভারতীয় বাজারে। শেয়ার সূচক বিএসই সেনসেক্সে টানা তিনদিন পতনের ধাক্কায় উবে গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের ৭.১৭ লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ। অন্যদিকে, ডলারের সাপেক্ষে টাকার দরেও টানা পাঁচদিন রক্তক্ষরণ অব্যাহত। শুক্রবার আরও ২২ পয়সা পতন হয়েছে। ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার দর কমে হয়েছে ৯৪.২৩ টাকা।  

Advertisement

তিনদিনে সেনসেক্সে পতন হয়েছে ২ হাজার ৬০৯.১২ পয়েন্ট বা ৩.২৯ শতাংশ। এর মধ্যে শুধুমাত্র শুক্রবারই ৯৯৯.৭৯ পয়েন্ট (১.২৯ শতাংশ) নিম্নমুখী হয়ে সূচক দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ৬৬৪.২১ পয়েন্টে। পতনের মুখে পড়েছে আরও এক সূচক নিফটিও। হরমুজের অনিশ্চয়তার হাত ধরে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম বেড়ে (২,১৭ শতাংশ) হয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০৭.৩ ডলার। তেল আমদানিতে বাড়তি খরচের কারণে ভারতের বাজারে তার ধাক্কা অব্যাহত। লাইভলং ওয়েলথের রিসার্চ অ্যানালিস্ট তথা প্রতিষ্ঠাতা হরিপ্রসাদ কে বলেন, ‘পশ্চিম এশিয়া, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জেরে জ্বালানির জোগান বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর ফলে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারের উপরে চলে গিয়েছে। ভারতের মতো তেল আমদানি নির্ভর দেশগুলিতে মুদ্রার উপর চাপ বাড়াচ্ছে ও মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করছে।’  

সম্পর্কিত সংবাদ