Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘বোমা রাখা আছে’, বিমানের শৌচাগারে রাখা চিরকুট ঘিরে চাঞ্চল্য কলকাতা বিমানবন্দরে

ফোন মারফত বা ই-মেইল করে হুমকি নয়! এবার একেবারে বিমানের মধ্যে হাতে লেখা চিরকুট! তাতে উল্লেখ, ‘বোমা রাখা আছে।’ বিমানের শৌচাগার থেকে এমন চিরকুট উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে হুলস্থুল বেধে যায় কলকাতা বিমানবন্দরে।

‘বোমা রাখা আছে’, বিমানের শৌচাগারে রাখা চিরকুট ঘিরে চাঞ্চল্য কলকাতা বিমানবন্দরে
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফোন মারফত বা ই-মেইল করে হুমকি নয়! এবার একেবারে বিমানের মধ্যে হাতে লেখা চিরকুট! তাতে উল্লেখ, ‘বোমা রাখা আছে।’ বিমানের শৌচাগার থেকে এমন চিরকুট উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে হুলস্থুল বেধে যায় কলকাতা বিমানবন্দরে। যাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে বিমানটিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদিও সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি। তবে হাতে লেখা ওই চিরকুট নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement

এদিন কলকাতা থেকে শিলং যাচ্ছিল ‘৬ ই ৭৩০৪’ নম্বরের বিমান। কলকাতা থেকে সকাল ৯টা ৬ মিনিট নাগাদ রওনা হওয়ার কথা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে বিমানের মধ্যে শৌচাগারে হাতে লেখা চিরকুটটি দেখতে পান এক বিমানসেবিকা। ততক্ষণে যাত্রীরা যে যাঁর নির্দিষ্ট আসনে বসে পড়েছেন। যাত্রীদের লাগেজ আগেই তুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ওই চিরকুট দেখার পর কোনোরকম ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। ওই বিমানসেবিকা প্রথমে খবর দেন পাইলটকে। পাইলটের মাধ্যমে খবর পৌঁছায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল এবং বিমানবন্দরের উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিমানের যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের রানওয়ে থেকে নির্দিষ্ট বাসে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বিমানটি ‘আইসোলেশন বে’-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। রানওয়েতেই বিমান যাত্রীদের সমস্ত ব্যাগ নামিয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। সেই সঙ্গে স্নিফার ডগ, বম্ব স্কোয়াড সহ সিআইএসএফের জওয়ানরা তৎপর হয়ে ওঠেন। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পরও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের লাগেজ থেকেও কোনো কিছু সন্দেহজনক উদ্ধার হয়নি। যাবতীয় পরীক্ষার পর বিমানটি রওনা হওয়ার ছাড়পত্র পায়। দুপুর ২টা ৩৩মিনিট নাগাদ সেটি কলকাতা থেকে শিলংয়ের উদ্দেশে উড়ে যায়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের সুরক্ষা সবার আগে। তাই একটি চিরকুটে লেখা তথ্যকে হেলায় উড়িয়ে দেওয়া হয়নি। যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তল্লাশি হয়েছে। কিন্তু ওই হাতে লেখা চিরকুট কে এবং কেন রেখে গিয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ