Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সারা জেলা থেকে লোক এনে হরিপালে প্রধানমন্ত্রীর সভা ভরাতে হল বিজেপিকে

তারকেশ্বর, সিঙ্গুর, ধনেখালি থেকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে এসে হরিপালের মালিয়ায় বিজেপিকে সভা ভরাতে হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রবিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সভা।

সারা জেলা থেকে লোক এনে হরিপালে  প্রধানমন্ত্রীর সভা ভরাতে হল বিজেপিকে
  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অমিত চৌধুরী, হরিপাল: তারকেশ্বর, সিঙ্গুর, ধনেখালি থেকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে এসে হরিপালের মালিয়ায় বিজেপিকে সভা ভরাতে হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রবিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সভা। শুধু হরিপালের কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে যে জমায়েত হবে না, তা টের পেয়েই বাকি তিন কেন্দ্রের প্রার্থীকে সদলবলে হাজির করা হয়েছিল মালিয়ায়। এছাড়াও বাস, ছোটো গাড়ি, ম্যাটাডরে করে লোক আনা হয়েছিল চুঁচুড়া, পাণ্ডুয়া, উত্তরপাড়া, জাঙ্গিপাড়া, গোঘাট, আরামবাগ সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।

Advertisement

সভার শুরু থেকেই চূড়ান্ত অবস্থা চোখে পড়ে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে সিকিউরিটি চেকিংয়ের পর জানিয়ে দেওয়া হয়, ভিতরে দাঁড়ানোর জায়গা নেই। ফলে আপনারা সভাস্থলে ঢুকতে পারবেন না। শেষমেশ প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে জেলার সাংবাদিকরা কোনোক্রমে ভিতরে ঢোকার অনুমতি পান। সেখান থেকে ছবি তোলা প্রায় অসম্ভব। অথচ মিডিয়া জোনে যে পাঁচটি ক্যামেরাকে দেখা গিয়েছে, সেই চ্যানেলগুলি একটিও এই রাজ্যের নয়।
গত ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সভা থেকে সিঙ্গুরের জন্য নতুন কিছু ঘোষণা করেননি মোদি। সিঙ্গুরবাসী আশাভঙ্গের পর এদিন হরিপালেও তিনি নতুন দিশা দেখাতে পারেননি হুগলির মানুষকে। সভা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী যখন তৃণমূলকে ভর্ৎসনা করছিলেন, ঠিক সেসময় এক মহিলা মঞ্চের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে কোনোক্রমে চ্যাংদোলা করে বাইরে বের করে দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে নাকি, মোদির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে মঞ্চের দিকে যাচ্ছিলেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।
সপ্তম শ্রেণির ছাত্র কিট্টু পাত্রর বাড়ি বেঙ্গালুরুতে। হরিপালের নালিকুলে তার আদি বাড়ি। বজরংবলী সেজে প্রধানমন্ত্রীর মন জয় করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সে দাঁড়িয়ে থাকল রং মেখে। প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর তার আক্ষেপ, মোদিজি তার দিকে একবারও তাকালেন না। বাংলার ও বাঙালির আবেগকে তিনি যে গুরুত্ব দেন না, তা এই ছোট্ট কিট্টুর কথায় ফুটে উঠল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ