Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রথের আগে প্রতি বাড়িতে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ছবি-প্রসাদ, থাকছে খোয়া ক্ষীরের প্যাঁড়া ও মিষ্টি গজা

রথযাত্রার আবহে রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ছবি এবং প্রসাদ। ৩০ এপ্রিল দ্বারোদ্ঘাটন হয়েছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের।

রথের আগে প্রতি বাড়িতে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ছবি-প্রসাদ, থাকছে খোয়া ক্ষীরের প্যাঁড়া ও মিষ্টি গজা
  • ৬ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রথযাত্রার আবহে রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ছবি এবং প্রসাদ। ৩০ এপ্রিল দ্বারোদ্ঘাটন হয়েছে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের। সেখান থেকেই প্রত্যেক বাড়িতে প্রসাদ পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রথের আগে সেই কাজই শুরু করতে চলেছে নবান্ন। আগামী ১৭ জুন থেকে বাড়ি বাড়ি প্রসাদ পাঠানোর কাজ শুরু করবে প্রতিটি জেলা প্রশাসন। এই কাজ রথযাত্রার (২৭ জুন) মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে নবান্ন। কোনও কারণে তা না হলে, উল্টোরথের (৪ জুলাই) মধ্যে এই কাজ শেষ করতেই হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। 

Advertisement

প্রসাদ হিসাবে কী কী থাকবে? জানা গিয়েছে,  সুন্দর একটি বাক্সে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ হিসেবে দু’টি পৃথক প্লাস্টিকের জিপ প্যাকেটে থাকবে খোয়া ক্ষীরের একটি হলুদ প্যাঁড়া এবং একটি মিষ্টি গজা। আর রাজ্যের তরফ থেকে স্মারক হিসেবে দেওয়া হবে দীঘার মন্দিরের ছবি। কলকাতা থেকে প্রতিটি জেলায় ছবি সমেত বাক্স পাঠিয়ে দেওয়া হবে জেলায় জেলায়। যা পাঠানোর কাজ শুরু হবে ১২ জুন থেকে। প্যাঁড়া এবং গজা তৈরি করানোর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিশিষ্ট মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের। সেই কারণে এখন থেকে এলাকার নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের তালিকাও তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি ব্লক এবং পুরসভাকে। এক একটি প্যাকেটের মিষ্টির জন্য ২০ টাকা করে বরাদ্দ করা হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এসডিও-বিডিওদের। সেই সঙ্গে প্যাঁড়া এবং গজা ন্যূনতম কত মাপের হতে হবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন। 
কিন্তু কীভাবে হবে প্রসাদ বিতরণের কাজ? রাজ্যের একটি বার্তা অনুযায়ী, এই কাজের জন্য মূলত দুয়ারে রেশন মডেলের উপর ভরসা রাখছে রাজ্য। এই বিষয়ে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি এসওপিও জারি করা হবে। এছাড়া অন্য কোনওভাবে বিতরণের কাজ করা যায় কি না, তাও বিডিওদের ভেবে রাখতে বলা হয়েছে। প্রসাদ বিতরণের কাজে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের কাজে লাগানো যেতে পারে বলেও জেলাগুলিকে জানানো হয়েছে। প্রসাদের বাক্স মজুত রাখার জন্য গুদাম ঘরের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি ব্লক এবং পুরসভাকে। এবিষয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ