Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ব্যাংকে ঋণের বাজার চাঙা, কিছুটা পিছিয়ে ডিপোজিট

ব্যাংক তার গ্রাহকদের যে ঋণ দেয়, তার বাজার চাঙা রইল জানুয়ারিতে। তবে কিছুটা মার খেল ডিপোজিট বা আমানতে জমা রাখার অঙ্ক।

ব্যাংকে ঋণের বাজার চাঙা,  কিছুটা পিছিয়ে ডিপোজিট
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্যাংক তার গ্রাহকদের যে ঋণ দেয়, তার বাজার চাঙা রইল জানুয়ারিতে। তবে কিছুটা মার খেল ডিপোজিট বা আমানতে জমা রাখার অঙ্ক। ঋণ ও জমার তুল্যমূল্য হিসেব কষে এমনই জানিয়েছে দেশের অন্যতম ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ইক্রা। ২০২৬ সালের ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত পক্ষকালে ২০১.৩ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে রাষ্ট্রায়ত্ত, বেসরকারি ও অন্যান্য ব্যাংকের দেওয়া ঋণের অঙ্ক। ঠিক একবছর আগের ওই একই সময়ের নিরিখে বৃদ্ধির হার ১৩.১ শতাংশ। ইক্রা দাবি করেছে, ২০২৫ সালের ১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর যে ঋণের বাজার গিয়েছিল, সেইসময় বৃদ্ধির হার ছিল ১১.৫ শতাংশ। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার ঋণ বৃদ্ধির হার ভালো। 

Advertisement

ডিপোজিটের ক্ষেত্রে এবছর ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকগুলিতে মোট জমার অঙ্ক ছুঁয়েছে ২৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। গতবারের এই একই সময়ের নিরিখে বৃদ্ধির হার ১০.৬ শতাংশ। অথচ গতবার বৃদ্ধির হার ছিল ১০.৮ শতাংশ। অর্থাৎ ডিপোজিটের বাজার একটু হলেও সংকুচিত হয়েছে, দাবি করছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থাটির দেওয়া তথ্য। ইক্রার বক্তব্য, ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণের বাজার বৃদ্ধির কারণ মূলত খুচরো ঋণ। এই তালিকায় আগে আছে গাড়ি-ঋণ। শেষ সেপ্টেম্বরে গাড়ির উপর জিএসটির ভার অনেকটাই কমে যাওয়ায় এবং উৎসব পরবর্তী সময়ে চাহিদা বাড়তে থাকায় এই বিভাগে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। ভালো অঙ্কের ঋণ গিয়েছে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রেও। দাবি করেছে ইক্রা। তাদের বক্তব্য, ব্যাংক নয়, এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি (এনবিএফসি) ব্যাংক থেকে বেশি অঙ্কের ধার নিয়েছে ব্যাবসা বাড়ানোর জন্য। কর্পোরেট ক্ষেত্রও তাদের পরিকাঠামো খাতে লগ্নি বাড়িয়েছে ঋণের মাধ্যমে। এই দিকগুলি ঋণের বাজার বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছে। অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাংক রেপো রেট কমাবে কি না, তার প্রভাব ব্যাংকের ডিপোজিট অ্যাকান্টেগুলিতে পড়বে কি না, এই দোলাচলে কিছুটা মার খেয়েছে আমানতের বাজার। মনে করছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থাটি। গৃহস্থের সঞ্চয়ের একটা বড়ো অংশ ব্যাংক ছেড়ে বিকল্প বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। ব্যাংকগুলির আমানতের হাল সামান্য হলেও খারাপ হওয়ার এটিও একটি কারণ। দাবি ইক্রার।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ